বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) হিসাব বিভাগীয় প্রধান খোন্দকার মুহম্মদ ইকবালের সাড়ে ২৩ কাঠা জমি, ৩৯২ অযুতাংশ জমির ১১টি শেয়ার ও ১২টি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর নামে থাকা তিনটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।
সিআইডির আবেদনে বলা হয়েছে, খোন্দকার মুহম্মদ ইকবাল হিসাব বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনে (বিসিআইসি) দায়িত্ব পালন করেন। চাকরিকালে শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের অসংখ্য ভুয়া বা জাল বিল ও ভাউচার তৈরি করে মোট ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে ফ্ল্যাট, গাড়ি ও জমি ক্রয় করে মানি লন্ডারিংসহ সম্পৃক্ত অপরাধের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
তদন্তে আসামির স্থাবর সম্পত্তি ২৩ দশমিক ৫ কাঠা জমি এবং ৩৯২ অযুতাংশ জমির ১১টি শেয়ার, ১২টি ফ্ল্যাটসহ মোট দলিলমূল্য ৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে স্থাবর সম্পত্তি আদালত কর্তৃক ক্রোকের আদেশ প্রদান করা না হলে অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই স্থাবর সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।