ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। গত শনিবার বিকেল থেকে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রামে বিমানবন্দরের ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে আজ বেলা ২টা পর্যন্ত মোট ১১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ায় গত শনিবার থেকে চট্টগ্রামে বিমানবন্দরের ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে আজ বেলা ২টা পর্যন্ত ১১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার সকাল থেকে মধ্যপ্রাচ্য ও এর বাইরেও বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ইরান ও ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইরাক, কুয়েত ও কাতারও আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আবুধাবি ও দোহার বিমানবন্দরগুলো বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দুবাই বিমানবন্দর থেকে সব ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর প্রভাব পড়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে।
এতে ওমরাহ ও মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন। জানা গেছে, অনেকের পাসপোর্ট-ভিসার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। অনেক প্রবাসী জানান, তাঁরা দ্রুত নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে না পৌঁছালে তাঁদের বিরাট সমস্যা হয়ে যাবে।
আজ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বাতিল হওয়া আন্তর্জাতিক অ্যারাইভাল ফ্লাইট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ও এয়ার অ্যারাবিয়ার তিনটি।
আর বাতিল হওয়া আন্তর্জাতিক ডিপার্চার ফ্লাইটগুলো হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ও এয়ার অ্যারাবিয়ার তিনটি।