হোম > সারা দেশ > ঢাকা

গ্রেপ্তার এড়াতে বাড়ির চারপাশে সিসি ক্যামেরা বসিয়েও শেষরক্ষা হলো না!

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম। ছবি: সিআইডি

ঢাকা ও চাঁদপুরের বিভিন্ন থানায় ৬ মামলার আসামি ছিলেন মো. সাইফুল ইসলাম (৪০)। দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনেও ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে গ্রেপ্তার এড়াতে বাসা ও আশপাশে বসিয়েছিলেন সিসিটিভি ক্যামেরা। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! অবশেষ রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসায় অবস্থান শনাক্ত করে কৌশলে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল।

আজ রোববার তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাইফুল ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

গ্রেপ্তার সাইফুল গাড়ি কেনাবেচা প্রতারক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্য। তাঁর বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বিঘা গ্রামে। গতকাল শনিবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাতপাখি এলাকা থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানার একটি জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির এ কর্মকর্তা জানান, সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভাটারা, চাঁদপুর মডেল, গুলশান থানাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতারণা, আত্মসাৎ, চুরি ও হুমকির অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে। এসব মামলা তদন্ত ও বিচারাধীন।

ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একটি পুরোনো গাড়ি কেনাবেচা প্রতিষ্ঠানের মালিক। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সাইফুল ইসলাম ও তাঁর এক সহযোগী ১০ লাখ টাকায় একটি গাড়ি বিক্রি করেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। পরে মালিকানা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে অনলাইনে যাচাই করে জানা যায়, গাড়িটির মালিকানা অন্য ব্যক্তির নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁর কাছে জাল নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তৈরি মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে। গাড়ির প্রকৃত মালিক আরেকজন। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এরপর ক্রেতাকে হয়রানি ও হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালায় সাইফুল।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ জুন ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি। মামলায় সাইফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী রিজিয়া সুলতানাকে আসামি করা হয়। রিজিয়া সুলতানা নিজেকে কখনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবার কখনো জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দাবি করে কাগজপত্রে সই করতেন। থানা-পুলিশের পরে মামলাটি তদন্ত শুরু করে সিআইডি। তাঁর স্ত্রী জামিনে রয়েছেন।

সিআইডির তদন্তে উঠে আসে, চক্রটি বিভিন্ন রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাল মালিকানা চুক্তিনামা ও রসিদ তৈরি করে বিক্রি করতেন। সাইফুল নিজেকে কখনো বিভিন্ন কোম্পানির এমডি, কখনো সংবাদমাধ্যমের কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন। তাঁর স্ত্রীকেও ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে প্রতারণার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হতো।

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে: মির্জা ফখরুল

ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সারা দেশে জামায়াত কর্মীদের ওপর নির্মম নির্যাতন করা হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার

পাকিস্তানি পোশাক বলে মিথ্যা প্রচার চালানোয় জরিমানা

দাখিল পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

যমুনার সামনে উল্টো পথে আসা দুই সরকারি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ

সড়কে মিলল ৩২ কেজির ওজনের কচ্ছপ, নদীতে অবমুক্ত

ছেঁউড়িয়ায় একতারা-ডুগডুগির সুরে মুখরিত লালন স্মরণোৎসব

৬ দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাত আসামি ৮ দিনের রিমান্ডে