গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আট প্রার্থী। এর মধ্যে পাঁচজনই তাঁদের জামানত হারিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই আসনে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান সরকার। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী অধ্যাপক খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী। তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, যদি কোনো প্রার্থী সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট পান, তাহলে সেই প্রার্থী তাঁর জামানতের টাকা হারাবেন। অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে সর্বমোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৭০৪। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৯ দশমিক ৩২। এই হিসাবে প্রাপ্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ হলো ৩০ হাজার ৮৩৮। এই সংখ্যক ভোট পাননি পাঁচ প্রার্থী। সে কারণে তাঁরা তাঁদের জামানতের টাকা হারিয়েছেন।
জামানতের টাকা হারানো পাঁচ প্রার্থী হলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) পরমানন্দ দাস। তিনি পেয়েছেন ৩৯৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. ছালমা আক্তার। তিনি পেয়েছেন ৩৬৯ ভোট। আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হাননু। তিনি পেয়েছেন ১৭৪ ভোট। স্বতন্ত্রের ব্যানারে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন। তিনি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩ ভোট।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকে জামানত বাবদ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। ওই পাঁচ প্রার্থী নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানতের টাকা আর ফেরত দেওয়া হবে না।