হোম > শিল্প-সাহিত্য

ছায়ানটে গান ও আবৃত্তিতে একুশের শ্রদ্ধা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছায়ানটের ভাষাশহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করছেন শিল্পীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

একুশের গান, কবিতা আবৃত্তি এবং কথন দিয়ে সাজানো ছিল ছায়ানটের ভাষাশহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আয়োজন। রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছায়ানটের নিজস্ব মিলনায়তনে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সম্মেলক গান ‘আমাদের চেতনার সৈকতে’ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। একে একে পরিবেশিত হয় গান ও কবিতা। এর আগে একুশের চেতনা নিয়ে বক্তব্য দেন ছায়ানট সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী।

সারওয়ার আলী বলেন, একটা জাতির পরিচয় তার ভাষায়। তার জীবনযাত্রার প্রকাশ ঘটে সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে। যে জাতির ভাষা মুদ্রিত নেই, সে ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যায়। বাঙালির সৌভাগ্য যে এমন একটি সমৃদ্ধ ভাষায় সে ভাব প্রকাশ করে, যার বৈচিত্র্য তাকে মহিমান্বিত করেছে। আর সে কারণেই জাতিসংঘ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস করেছে।

আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন সুস্মিতা দেবনাথ শুচি, ইফ্ফাত বিনতে নাজির, ধ্রুব সরকার, প্রিয়ন্তু দেব, ঐশ্বর্য সমদ্দার, মোহিত খান, নুসরাত জাহান রুনা, অর্ণব বড়ুয়া, ফারজানা আফরিন ইভা, সুমন মজুমদার প্রমুখ।

পরিবেশিত হয় ‘মোদের গরব মোদের আশা’, ‘নিশিদিন ভরসা রাখিস’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে’, ‘ও আমার এই বাংলা ভাষা’, ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো’ ইত্যাদি গান।

আবৃত্তি পরিবেশন করেন ডালিয়া আহমেদ, দেওয়ান সাঈদুল হাসান। সবশেষে গাওয়া হয় একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

মাতৃভাষা দিবসে বাংলা একাডেমিতে কবিতাপাঠ ও স্মারক বক্তৃতা

তৌহিদুল হকের গুচ্ছ কবিতা

বিদায় নেওয়া হুমায়ূন এখনো আছেন

‘হীরক রাজার দেশে’ মঞ্চস্থ করল স্কলাস্টিকার শিক্ষার্থীরা

গবেষণায় বেরিয়ে এল আরবি সাহিত্যের ‘হারানো শতাব্দী’র গল্প

তিন গোয়েন্দার স্রষ্টা রকিব হাসান মারা গেছেন

ক্রাসনাহোরকাইয়ের নোবেল যেন তাঁর দীর্ঘ কোনো বাক্যের সমাপ্তি

সন্ত্রাসের দাপটেও শিল্পের শক্তি চেনায় লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের কলম

২০২৫ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক

কাজী নজরুলের ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের শতবর্ষপূর্তিতে ‘গাহি সাম্যের গান’ গ্রন্থ প্রকাশ