হোম > নারী

আন্তর্জাতিক সমান বেতন দিবস

বেতনের ক্ষেত্রে লৈঙ্গিক বৈষম্য দূর হোক

ফিচার ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

সমান মূল্যের কাজের জন্য সমান বেতন পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিবছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হয় আন্তর্জাতিক সমান বেতন দিবস। কাজে সমান বেতন পাওয়া নিয়ে নারীদের আন্দোলনের ইতিহাসটা অনেক পুরোনো। সেই আন্দোলনে নারী অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে অভিনেত্রী— সবাই অবদান রেখেছেন নিজ নিজ জায়গায়।

গুড ইয়ার কোম্পানির কর্মী লিলি লেডবেটার একটা সময় জানতে পারেন, তাঁর পুরুষ সহকর্মীরা একই কাজ করে অনেক বেশি বেতন পাচ্ছেন। তাঁর করা মামলার ফল হিসেবে ২০০৯ সালে লিলি লেডবেটার ফেয়ার পে অ্যাক্ট পাস হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এটি ইকুয়াল পে আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। বলা হয়, বেটি ফ্রিডানের ‘দ্য ফেমিনিন মিস্ট্রি’ বইয়ের মাধ্যমে নারীবাদের দ্বিতীয় তরঙ্গ শুরু হয়। যেখানে তিনি সমান বেতনের বিষয়টিও উল্লেখ করেছিলেন। গ্লোরিয়া স্টেইনেম ইকুয়াল পের পক্ষে প্রচুর লেখালেখি ও জনসচেতনতা তৈরি করেন। অভিনেত্রী প্যাট্রিসিয়া আর্কেট ২০১৫ সালের অস্কার গ্রহণের সময় মঞ্চে দাঁড়িয়ে নারীদের সমান বেতনের দাবি জানান, যা বিশ্বব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফ্রান্সের সিমোন দ্য বোভোয়ার, পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই কিংবা বাংলাদেশের নারীবাদী আন্দোলনের নেত্রীরা—সবাই বিভিন্ন সময়ে নারীর সমান বেতনের বিষয়টি সামনে এনেছেন। শুধু আইন প্রণয়নেই নয়, তাঁরা জনসচেতনতা, আন্দোলন, লেখালেখি ও রাজনৈতিক চাপের মাধ্যমে সমান বেতন পাওয়ার পক্ষে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। তাঁদের কাজের মাধ্যমেই বিশ্বের অনেক দেশে সমান বেতনের আইন তৈরি হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’র আয়োজন

‘৫ শতাংশের বেশি নারী প্রার্থী দিতে চেয়েছিলেন তারেক রহমান’

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ ২৪তম

ড. রাজিয়া বানু, নারী অগ্রযাত্রায় উজ্জ্বল নক্ষত্র

সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে সম্ভব নয়

ভুলে যাওয়া এক নারী মেরিনা নেমত

আফ্রিকার লৌহমানবী সিরলিফ

২ হাজার ৫৬৮ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১০৯, উদ্বেগ সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির

শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না

নিরাপত্তাহীন নারী ও শিশু, সংখ্যা বাড়ছে নির্যাতিতের