টেলিযোগাযোগ সেবার মান নিয়ে অংশীজনদের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টায় গণশুনানির আয়োজন করেছে সংস্থাটি।
বিটিআরসি জানিয়েছে, অনলাইন ও অফলাইন—দুই পদ্ধতিতে এই গণশুনানি হবে। অনলাইন কার্যক্রম সবার জন্য উন্মুক্ত। গণশুনানিতে টেলিযোগাযোগ সেবা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন, মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ থাকছে। এ জন্য আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছিল বিটিআরসি।
বিটিআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিবন্ধন ও জমা দেওয়া বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনা করে নির্বাচিত ও যৌক্তিক প্রশ্নকারী এবং অংশগ্রহণকারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। তাঁদের প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের লিংক ও পাসওয়ার্ড, ই-মেইল অথবা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
এর আগে ২০১৬ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মোট ৬টি গণশুনানি করেছে বিটিআরসি। এসব শুনানিতে মোবাইলসেবার নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে ২৯ হাজার ৫৩৯টি অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা।
এসব অভিযোগের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল কলড্রপ, ইন্টারনেটের ধীর গতি এবং বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন সংক্রান্ত ও ইন্টারনেট সেবার মানসংক্রান্ত। নেটওয়ার্ক কভারেজ, মোবাইল ডেটার মূল্য, ফোর-জি নেটওয়ার্ক কভারেজ, মোবাইল টাওয়ারের সমস্যা, জরুরি রিচার্জ সুবিধা সংক্রান্ত, নেটওয়ার্ক দুর্বলতা, ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস (ভাস) চালু করে টাকা কেটে নেওয়া, কলরেট ও ডেটা প্যাকের মূল্য, সিম রিপ্লেস ফিসহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরেন গ্রাহকেরা।
এ ছাড়া বন্ধ সিমের মালিকানা বদলে যাওয়ার ভোগান্তি ও এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার) সংক্রান্ত সম্ভাব্য জটিলতার কথা জানান গ্রাহকেরা।