হোম > প্রযুক্তি

বিড়ম্বনায় পিৎজা বানানোর রোবট

ফিচার ডেস্ক

অনেক ক্ষেত্রের মতো পিৎজা তৈরিতেও রোবট নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আপনার প্রিয় পিৎজাটি যদি একটি রোবট বানিয়ে দেয়, কেমন লাগবে? এখন আর এটি প্রশ্ন নয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, মানুষ নাকি রোবট, কার হাতের পিৎজা সেরা। পিৎজা তৈরির স্বয়ংক্রিয় রোবট বা পিৎজা বোট নিয়ে খাদ্যশিল্পে আশা ও আশঙ্কার মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সিয়াটলের ‘মোটো পিৎজা’র প্রতিষ্ঠাতা লি কিনডেল ১ লাখ ৬০ হাজার ডলারের রোবট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন। তবু তিনি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের পক্ষে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে ৩ডি প্রিন্টারের আদলে নিজস্ব রোবোটিক প্রযুক্তি চালুর পরিকল্পনা করছেন।

পিকনিক, জুম, পাজির মতো একাধিক পিৎজা রোবট স্টার্টআপ অতীতে ব্যর্থ হলেও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এই প্রযুক্তি সময়ের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে ছিল। বর্তমানে কানাডিয়ান সংস্থা অ্যাপেট্রনিক্স পিৎজা তৈরির দ্রুতগতির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। তবে ব্যাংকিং ও রেস্তোরাঁ বিশ্লেষকদের মতে, মানুষ পিৎজা তৈরিতে যথেষ্ট দক্ষ এবং রোবটের ক্ষেত্রে কারিগরি ত্রুটি বা খাবারের মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তা ছাড়া অনেকে মনে করেন রোবট ব্যবহারের ফলে রেস্তোরাঁর মানবিক মেলবন্ধন ও সেবা ব্যাহত হতে পারে। অন্যদিকে, কাজের সুযোগ কমার বিষয়ে উদ্যোক্তারা জানান, রোবট চালুর পরও কর্মীদের ছাঁটাই না করে কাস্টমার সার্ভিস ও বিজ্ঞাপনের মতো অন্যান্য কাজে যুক্ত রাখা সম্ভব। ফলে রোবোটিক পিৎজার ভবিষ্যৎ গতিপথ এখনো পরীক্ষাধীন।

সূত্র: বিবিসি