হোম > প্রযুক্তি

এক দিনেই ৬৮ বিলিয়ন ডলার উধাও, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পতনের মুখে আইবিএম

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

শেয়ারে ব্যাপক পতন দেখা দেওয়ার পর একদিনে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য হারিয়েছে আইবিএম। ছবি: সংগৃহীত

এআই-নির্ভর অবকাঠামোয় গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান ঝোঁকের কারণে বড় ধাক্কা খেল মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম (আইবিএম)। কোম্পানিটির সতর্কবার্তার পর গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই আইবিএমের বাজারমূল্য থেকে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি (প্রায় ৫০ বিলিয়ন পাউন্ড) মুছে যায়। শেয়ারদর ২৫ শতাংশেরও বেশি পড়ে যাওয়ার পর কোম্পানিটি ১৯৬৮ সালের পর কোম্পানিটির ইতিহাসে এক দিনের সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে রেকর্ড গড়ল।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়েছে আইবিএম জানিয়েছে—অনেক গ্রাহক এখন সফটওয়্যার ও কনসাল্টিং সেবায় ব্যয় কমিয়ে এআই অবকাঠামো, বিশেষ করে সার্ভার, স্টোরেজ ও মেমোরি কেনার দিকে মূলধনী বিনিয়োগ (ক্যাপেক্স) সরিয়ে নিচ্ছেন। সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় তাঁরা আগেভাগেই এসব অবকাঠামো নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।

আইবিএমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ কৃষ্ণ বলেন, জুন মাসের শেষ কয়েক সপ্তাহে গ্রাহকদের ব্যয়ের ধরন অপ্রত্যাশিতভাবে বদলে যায়। সরবরাহ শৃঙ্খল-সংক্রান্ত কিছু প্রভাবের আশঙ্কা থাকলেও মূলধনী ব্যয়ের এত বড় পুনর্বিন্যাস তাঁরা অনুমান করতে পারেননি। তিনি স্বীকার করেন, এই প্রান্তিকে কোম্পানি ‘হোঁচট খেয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে আইবিএম যথেষ্ট দ্রুত খাপ খাওয়াতে পারেনি এবং প্রত্যাশিত সময়ে অনেক বড় চুক্তি সম্পন্ন না হওয়ায় ফলাফলে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে।’

আইবিএমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির রাজস্ব হবে ১৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল ১৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে কোম্পানির মুনাফাও কার্যত স্থির রয়েছে।

আইবিএমের দুর্বল পূর্বাভাসের প্রভাব শুধু কোম্পানিটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ওয়াল স্ট্রিটে সফটওয়্যার খাতের অন্যান্য শেয়ারেও বিক্রির চাপ দেখা যায়। ওরাকল, অ্যাকসেঞ্চার, মাইক্রোসফট ও সেলসফোর্সের শেয়ারদর কমে যায়। একইসঙ্গে ব্রিটেনের রেলএক্স, সেইজ এবং লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের শেয়ারও নিম্নমুখী হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এআই প্রযুক্তিতে নজিরবিহীন বিনিয়োগের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতের ব্যয়ের ধরণ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। মেটা, অ্যালফাবেট ও মাইক্রোসফটের মতো এআই হাইপারস্কেলার প্রতিষ্ঠানগুলো চলতি বছর মূলধনী বিনিয়োগ প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করছে, যা সফটওয়্যার শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে হোয়াইট হাউসে আইবিএমের প্রধান নির্বাহী অরবিন্দ কৃষ্ণের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রশংসা করেছিলেন। তবে এবার এআইকে ঘিরে বিনিয়োগের নতুন বাস্তবতায় আইবিএমকে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন বাজার ধাক্কার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ‘কারফিউ’, কতটা কাজে দেবে

অর্ধশতাব্দীর অমীমাংসিত গণিত-ধাঁধা সমাধান করল চ্যাটজিপিটি

কিশোর-কিশোরীদের ‘ইটিং ডিজঅর্ডার’ কনটেন্ট দেখার পরামর্শ দিচ্ছে ইউটিউব, দাবি গবেষকদের

প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ১০ সিইও

চীনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিউশন রি-অ্যাক্টরের সুপারকন্ডাক্টিং চুম্বক উন্মোচন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিখুঁত ফাঁদ চেনার উপায়

সৈকতে স্পেস বল

মোবাইল ফোন শিল্পকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

টেলিটক বিক্রির পরিকল্পনা নেই, আপগ্রেডের উদ্যোগ: সংসদে আইসিটিমন্ত্রী

সমালোচনার মুখে ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত ফিচার সরিয়ে নিল মেটা