আগেই নিশ্চিত হয়েছিল পদক। তবে সেই পদকটি সোনা কিংবা রুপায় রূপ দেওয়া হলো না উশু কন্যা জিন্নাত আক্তারের। ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাঁকে। আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস উশুর মেয়েদের ৫২ কেজি ওজন শ্রেণির সেমিফাইনালে তিনি হেরে গেছেন চীনের উ দি’র কাছে।
চীনা প্রতিপক্ষের সামনে পেরে উঠতে পারেননি জিন্নাত। সেমিফাইনালে প্রথম রাউন্ডে দুই মিনিট সময়ের মধ্যে ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড টিকে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে দুবার পড়ে যান। ৪-০ পয়েন্টে উ দি জিতে যাওয়ায় আর পরের দুই মিনিট খেলার দরকার পড়েনি।
ব্রোঞ্জ পেলেও জিন্নাতের এই অর্জন ঐতিহাসিক। তাঁর হাত ধরেই দীর্ঘ ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে পদকের খরা কাটাল বাংলাদেশের। এর আগে এশিয়াডের ব্যক্তিগত ইভেন্টে ১৯৮৬ সালে বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন বাংলাদেশের মোশাররফ হোসেন।
জিন্নাতের পদক নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। প্রাথমিক রাউন্ডে ‘বাই’ পেয়ে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন। এরপর সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়েও তাঁকে মাঠে নামতে হয়নি ইন্দোনেশিয়ান প্রতিপক্ষ থারিসা দিয়া ফ্লোরেন্তিনা ডিসকোয়ালিফাইড হওয়ায়। আর তাতেই সেরা চারে জায়গা করে নেয় জিন্নাত এবং একটি পদক নিশ্চিত করেন।
পদক জয়ের পরে বাংলাদেশে উশুর সীমাবদ্ধতার কথা বলেছেন জিন্নাত। বলেছেন, ‘আমাদের নিজস্ব ভেন্যু নেই। আমরা নিয়মিত অনুশীলন করতে পারছি না। ধারাবাহিক অনুশীলন দরকার। চীনের খেলোয়াড়েরা সারা বছর অনুশীলন করে বলেই তারা বিশ্বের সেরা। আমরা যদি তাদের মতো অনুশীলনের সুযোগ, মাঠ ও কোচ পাই, তাহলে পরের এশিয়ান গেমসে সোনা বা রুপা নিয়ে দেশে ফিরতে পারব।’