এশিয়ান গেমসের ব্যস্ততা শেষে দেশে ফেরার পথেও ভোগান্তি পোহাতে হলো বাংলাদেশের কাবাডি ও টেবিল টেনিস দলকে। থাইল্যান্ডের বন্যায় বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আটকে থাকার পর সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকায় পৌঁছেছে দুই দল। তবে বিমানবন্দর থেকে বের হলেও শেষ হয়নি দুর্ভোগ—সঙ্গে আনতে পারেনি নিজেদের লাগেজ।
থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে আসার কথা থাকলেও লাগেজগুলো এখনো থাইল্যান্ডেই রয়েছে। দেশে পৌঁছে টেবিল টেনিস দলের কোচ মোহসিনুল আলম ঝিনু জানিয়েছেন, বিমান সংস্থার কাছে দলের সদস্যদের ঠিকানা নেওয়া হয়েছে। লাগেজ ঢাকায় পৌঁছালে তা জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনসটি।
এর আগে বন্যার কারণে টেবিল টেনিস দলের সদস্যদের দুই দিন বিমানবন্দরে অবস্থান করতে হয়েছে। কাবাডি পুরুষ দলও আটকা ছিল এক দিন। নির্ধারিত ফ্লাইটের অপেক্ষায় কখনো বোর্ডিং গেটের সামনে, কখনো চেয়ারে বসে সময় কাটাতে হয়েছে খেলোয়াড়দের। একাধিকবার ফ্লাইটের সময়সূচি দেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।
পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বিমানবন্দরে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থায়। প্রথম দিন দলের সদস্যদের প্রতি বেলা ৪০০ বাথ করে দেওয়া হলেও পরদিন থেকে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রাতটা বিমানবন্দরের চেয়ারেই কাটাতে হয়েছে তাঁদের।
টেবিল টেনিস দলের যে পাঁচ খেলোয়াড় এই ভোগান্তিতে পড়েন তাঁরা হলেন রামহিম লিয়ান বম, ইমরুল কায়েস ইমন, সোনাম সুলতানা সোমা, নওরিন সুলতানা মাহি ও সামান্তা হোসেন তুসি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কোচ মোহসিনুল আলম ঝিনু।