মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। তিন গোলের দুটিতে আরিফ আইমানের নিখুঁত ফিনিশিং, অন্যটিতে বার্গসনের ব্যক্তিগত দক্ষতা—মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের মানের সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্যটা স্পষ্ট হয়েছে। এমন ম্যাচের পর গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণের দিকে আঙুল উঠলেও তাঁকে হারের দায় দিতে রাজি নন কোচ টমাস ডুলি।
ম্যাচ শেষে আজ জাকার্তায় গোলরক্ষকের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডুলি বলেন, ‘গোলরক্ষক কিছু ভালো সেভ করেছে এবং ম্যাচ শেষে আমাকে সবকিছু খতিয়ে দেখতে হবে। তাই না দেখে নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে এখনই বেশি কথা বলতে চাই না।’
ম্যাচের তিন গোলের কোনোটির জন্যই শ্রাবণকে দায়ী করছেন না বাংলাদেশ কোচ। তাঁর ভাষায়, ‘সামগ্রিকভাবে সে কিছু ভালো সেভ করেছে। সে মাঝে মাঝে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারত। যেমন মিডফিল্ড থেকে হামজার মতো কোনো খেলোয়াড় যখন এসে বল চাচ্ছে এবং সে খালি আছে, তখন তাকে ব্যবহার করা যেত চাপ থাকা অবস্থায় বাইরের কাউকে বল না দিয়ে। তাই আবারও বলছি, আজ আমরা যে তিনটি গোল খেয়েছি, তার জন্য কোনোভাবেই গোলরক্ষকের দোষ দেওয়া যায় না। এটা আসলে যুক্তিসংগত কোনো প্রশ্ন নয়।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রক্ষণ যে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল, সেটারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডুলি। আরিফ আইমানদের ব্যক্তিগত মানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁদের আক্রমণভাগে তিনজন খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা অসাধারণ। তাঁদের গতি চমৎকার। তাঁরা খুব দ্রুতগতির। অবিশ্বাস্য টেকনিক আছে। তাঁরা অত্যন্ত বিপজ্জনক।