হোম > খেলা > ফুটবল

৯ গোল হজমের পর বাংলাদেশ কোচ বললেন, ‘আশা করি এটাই শেষ’

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোল হজম করেছেন হামজারা। ছবি: ফিফা

৯ গোল। নিজেদের ইতিহাসে বাংলাদেশের এত গোল হজম করেছে দুবার—১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে, ১৯৮২ সালে ইরানের কাছে। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯–২ গোলে হারের পর সেই লজ্জা বলা যায় কানের পাশ দিয়ে চলে গেছ। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এমন হার তাঁর কাছে কী অর্থ বহন করছে। উত্তরটা ছোট, কিন্তু ভারী, ‘হ্যাঁ, এমনই (নিজের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় হার)। সবকিছুই একবার না একবার ঘটে। আশা করি, এটাই শেষ।’

তবে ৯ গোলের ব্যাখ্যায় তিনি কোনো অজুহাত খোঁজেননি। বরং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের পার্থক্যটা কোথায়, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বারবার ফিরে গেছেন খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি, ঘরোয়া ফুটবলের মান আর দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের প্রসঙ্গে।

ডুলি বলেন, ‘আপনি র‍্যাঙ্কিং দেখলেই বুঝতে পারবেন। আমাদের র‍্যাঙ্কিং যদি ১৮১ হয়, আর তাদের র‍্যাঙ্কিং যদি ১১৬,১৩০ বা ১৪০ হয়, তবে তা স্পষ্ট করে যে র‍্যাঙ্কিংয়ে আপনি যত ওপরে থাকবেন, দল ও খেলোয়াড় হিসেবে আপনারা ততটাই ভালো। কারণ সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে তাদের অনেক বেশি ম্যাচ জিততে হয়েছে। যখন আপনি তাদের মুখোমুখি হবেন, তখনই এই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দলগুলো দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোর চেয়ে ফুটবল বিচারে এগিয়ে।’

ডুলি মনে করেন, শুধু দুর্বল দলকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ালে হবে না। শক্তিশালী দলের সঙ্গে নিয়মিত খেলতে হবে, তবেই সীমাবদ্ধতাগুলো ধরা পড়বে, ‘আপনি যদি কেবল র‍্যাঙ্কিংয়ে পেছনে থাকা দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলে জিতে যান, তবে তা দেখতে হয়তো ভালো লাগে, কিন্তু আপনার কোনো সত্যিকারের উন্নতি হয় না। দুর্বল দলের বিরুদ্ধে খেলে কেবল আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়, কিন্তু যখন আপনি দ্রুতগতির শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলবেন, তখন হঠাৎ ধাক্কা খাবেন।’