দুর্দান্ত জয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইতালি। বুরসায় উয়েফা নেশনস লিগে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারিয়ে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে রবার্তো মানচিনির দল। এবার তাদের সামনে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্স। তুরস্কের বিপক্ষে জয়ের পর মানচিনি জানিয়ে দিয়েছেন, প্যারিসেও দারুণ কিছু করতে চায় তাঁর দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই তুরস্কের ওপর চাপ তৈরি করে ইতালি। নবম মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনির গোলে এগিয়ে যায় তারা। ২২ মিনিটে দাভিদে ফ্রাত্তেসি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ২৭ মিনিটে অভিষেকেই গোল করে ইতালিকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মাইকেল কায়োদি।
বিরতির পর তুরস্কের হয়ে একটি গোল শোধ করেন বারিস আলপার ইলমাজ। তবে ৪-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করতে বেশি সময় নেয়নি ইতালি। পিও এসপোসিতোর গোলে শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মানচিনির দল।
এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল ইতালি। সেই ম্যাচের পর তুরস্কের বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্সে বড় পরিবর্তন দেখছেন মানচিনি। বৃষ্টিভেজা কঠিন মাঠেও ইতালি শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে।
ম্যাচের পর রাই স্পোর্টকে মানচিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি মাঠে খেলেছি, যেখানে সারা দিন বৃষ্টি হয়েছে। তাই তুরস্কের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া আসবে, সেটাই স্বাভাবিক ছিল। সবাই দারুণ একটি ম্যাচ খেলেছে।’
রাসপাদোরিকে বিরতির সময় তুলে নেওয়ার কারণও জানান ইতালি কোচ। চোটের কারণে সতর্কতা হিসেবে তাকে মাঠের বাইরে রাখেন তিনি, ‘সে চোট পেয়েছিল। আমরা চিন্তিত ছিলাম, দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ মিনিট পরই হয়তো তাকে বদলাতে হতে পারে। তাই বিরতির সময়ই তাকে তুলে নিয়েছি।’
দলের খেলা নিয়েও সন্তুষ্ট মানচিনি। তিনি বলেন, ‘দল সামনে এগিয়ে গেছে, বলের দখল ধরে রেখেছে এবং ভালোভাবে পাস দিয়েছে। র্যাসপাদোরি আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবেই খেলেছে এবং ভালো একটি ম্যাচ খেলেছে।’
তুরস্কের বিপক্ষে জয়ের পর এখন মানচিনির নজর প্যারিসে। ফ্রান্স ইতোমধ্যে তুরস্ক ও বেলজিয়ামকে হারিয়ে টানা দুই জয় পেয়েছে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে সোমবার ১-০ গোলের জয়ে জিদানের অধীনে ফ্রান্সের নিখুঁত শুরুও ধরে রেখেছে।
তবে সেই ফ্রান্সের বিপক্ষেই নিজেদের প্রমাণ করতে চান মানচিনি। আগামী ৩ অক্টোবর স্তাদে দে ফ্রান্সে স্বাগতিকদের আতিথেয়তা নেবে তাঁর দল। মানচিনি বলেন, ‘এখন আমরা ফ্রান্সে নিজেদের প্রমাণ করার চেষ্টা করব।’