ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করে স্পেনকে লিড এনে দিয়ছিলেন লামিনে ইয়ামাল। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে নিজের গোলের রহস্য জানিয়েছেন এই বার্সেলোনা তারকা।
ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গুয়েহির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন ইয়ামাল। এরপর একের পর এক চাপ সামলে ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতিতে গোল করেন তিনি।
গোলের মুহূর্তটি ব্যাখ্যা করে ইয়ামাল বলেন, ‘কোচ আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে এবং প্রতিপক্ষকে চাপ দিতে অনেক অনুপ্রাণিত করেন। তিনি আমাদের বিশ্বাস করতে বলেন যে আমরা বলটি পুনরুদ্ধার করতে পারব। আমি সেটাই করেছি।’
দলের জন্য সবসময় ভূমিকা রাখতে চান বলেও জানান ইয়ামাল। নিজের পারফরম্যান্সের একটি মজার দিকও তুলে ধরেছেন তিনি, ‘আমি সবসময় দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। মাঝেমধ্যে মনোযোগ হারিয়ে ফেলি, তবে কখনো কখনো বল কেড়ে নিই বা ছিনিয়ে নিই। এরপর নিজেকে একেবারে ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতিতে পাই এবং গোল করতে সক্ষম হই।’
ইয়ামালের মতে, প্রতিপক্ষ বেশি সময় বল দখলে রাখলেও তাতে স্পেনের সমস্যা হয় না। কারণ পাল্টা আক্রমণে দলের গতি কাজে লাগানোর সামর্থ্য আছে তাদের।
এই প্রসঙ্গে ইয়ামাল বলেন, ‘অন্য দল বল দখলে রাখলেও এতে আমাদের সমস্যা হয় না। কারণ আমাদের খেলোয়াড়েরা খুবই দ্রুতগতির এবং আমরা পাল্টা আক্রমণে কীভাবে খেলতে হয়, সেটা জানি।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুতে এগিয়ে গেলেও পরে অ্যান্থনি গর্ডন ও হ্যারি কেইনের গোলে পিছিয়ে পড়ে স্পেন। দ্বিতীয়ার্ধে আলেক্স বায়েনা সমতা ফেরানোর পর ৭৪ মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবাল গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন।
ওয়েম্বলির মতো কঠিন মাঠে জয় পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি ইয়ামাল। তিনি বলেন, ‘সব সময়ই বল হারানোর ঘটনা ঘটে, তবে আমরা চেষ্টা করি যেন বল হারানো দলটা আমরা না হই। আমরা খুবই খুশি এবং জানি, ওয়েম্বলি খুব কঠিন একটি মাঠ।’