হোম > খেলা > ক্রিকেট

বিপিএল ফিক্সিংয়ে আরও দুজনকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

দুজনকে নিষিদ্ধ করল আইসিসি। ছবি: ফাইল ছবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিংয়ের কালো থাবা তো নতুন কিছু নয়। এ মাসের শুরুতে তিন জনকে নিষিদ্ধ করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এবার এই অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন আরও দুই কর্মকর্তা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী ধারা ভাঙার অভিযোগে আজ নতুন করে দুই কর্মকর্তাকে নিষেধাজ্ঞা দিল বিসিবি।

বিসিবি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম রাশেদ এবং মোহাম্মদ আমিন খানকে নিষিদ্ধ করার কথা জানিয়েছে। তাঁরা দুজনই চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক কর্মকর্তা। রাশেদ ২০২৬ বিপিএলে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক স্বত্বাধিকারী। আর আমিন ২০২৫ বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির টিম ম্যানেজার ছিলেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করার কথা নিশ্চিত করেছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।

১. মোহাম্মদ আবদুল কায়ুম রাশেদ 

কোডের ধারা ২.১.১ – কোনো ম্যাচ বা ম্যাচগুলোর ফলাফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো দিককে অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা, তা নির্ধারণ বা কারসাজি করার চেষ্টা করা, অথবা এ ধরনের কোনো চুক্তি বা প্রচেষ্টার অংশ হওয়া।

কোডের ধারা ২.৪.৪ – দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার জন্য তার কাছে আসা কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণের সম্পূর্ণ বিবরণ অযথা বিলম্ব না করে নির্ধারিত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে (ড্যাকো) জানাতে ব্যর্থ হওয়া।

কোডের ধারা ২.৪.৬ – কোডের অধীনে সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ড্যাকো পরিচালিত তদন্তে কোনো বাধ্যতামূলক কারণ ছাড়া সহযোগিতা করতে ব্যর্থ বা অস্বীকৃতি জানানো। এর মধ্যে কোডের ধারা ৪.৩-এর অধীনে জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর ব্যবহৃত প্রধান মোবাইল ডিভাইস জমা দিতে ব্যর্থ হওয়াও অন্তর্ভুক্ত।

কোডের ধারা ২.৪.৭ – ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য তার ব্যবহৃত প্রধান মোবাইল ডিভাইস দিতে অস্বীকৃতি জানানোর মাধ্যমে সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব করা; এর ফলে তদন্তকারীরা ওই ডিভাইসে থাকা সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও অন্যান্য তথ্য পরীক্ষা করতে পারেননি।

২. মোহাম্ম আমিন খান
কোডের ধারা ২.১.১ – কোনো ম্যাচ বা ম্যাচগুলোর ফলাফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো দিককে অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা, তা নির্ধারণ বা কারসাজি করার চেষ্টা করা, অথবা এ ধরনের কোনো চুক্তি বা প্রচেষ্টার অংশ হওয়া।

কোডের ধারা ২.১.৪ – কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে প্ররোচিত করা, উৎসাহিত করা, প্রভাবিত করা বা ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করা।

কোডের ধারা ২.৪.৬ – কোডের অধীনে সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ড্যাকো পরিচালিত তদন্তে কোনো বাধ্যতামূলক কারণ ছাড়া সহযোগিতা করতে ব্যর্থ বা অস্বীকৃতি জানানো। এর মধ্যে কোডের ধারা ৪.৩-এর অধীনে জারি করা নির্দেশনা মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়াও অন্তর্ভুক্ত।

কোডের ধারা ২.৪.৭ – তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন যোগাযোগ বা অন্যান্য তথ্য গোপন বা ধ্বংস করার মাধ্যমে সম্ভাব্য দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব করা।