চোট নিয়ে বিতর্কের জেরে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ইমাম উল হক। বিষয়টি তদন্তের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও হতে পারে এই ওপেনারের—সূত্রের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে জিও সুপার।
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিন ফিল্ডিং করার সময় ইমামের বাঁ পায়ের পেশিতে চোট লাগে। সেই চোটের কারণে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে পারেননি। ইংল্যান্ডের ২৯০ রানের জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় মাত্র ১১০ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট করতে নামেননি তিনি। ৩৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান অলআউট হয় ১৯৪ রানে। ম্যাচের পাশাপাশি সিরিজও হারতে হয় সফরকারীদের।
এরপরই ইমামের চোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ওই সূত্রের দাবি, তাঁর পেশির চোটের ঘটনা তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে পিসিবি। অতীতে চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষাপটও নতুন তদন্তে গুরুত্ব পেতে পারে।
২০২৫ সালের মার্চে নিউজিল্যান্ড সফরেও চোট নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন ইমাম। ওই সফরে পিসিবির একটি তদন্ত কমিটি তাঁকে চোটের উপসর্গ সাজানো, অতিরঞ্জিত করা বা ভুলভাবে উপস্থাপন এবং চিকিৎসাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে দায়ী করেছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ। ইনডোর নেট সেশনে একটি বল ইমামের ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে লাগার পর তিনি চোটের কথা জানান। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির অভিযোগ ছিল, প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে না নামতেই ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে খেলার অনুপযুক্ত হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন ইমাম।
সাম্প্রতিক লর্ডস টেস্টের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তদন্ত শুরু হলে ইমামের বিরুদ্ধে এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সূত্রের দাবি, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন তিনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে ইমামকে দল থেকে বাদ দিয়েছে পিসিবি। এখন তাঁর চোটের ঘটনা নিয়ে সম্ভাব্য তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট।