হোম > খেলা > ক্রিকেট

জাপানের উইকেটে কী চ্যালেঞ্জ থাকছে বাংলাদেশের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জাপানে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের জন্য তৈরি করা হচ্ছে এমন উইকেট। ছবি : এএফপি

জাপানের নিসশিন সিটির কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কের ক্রিকেট মাঠ কেমন, সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত বলা নেই এশিয়ান গেমসের ওয়েবসাইটে। তবে সাইটে থাকা মাঠের ছবি দেখে মনে হতে পারে, জাপানের মতো সহযোগী দেশ যতটুকু তৈরি করেছে, সেটি যেন অনেক। এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট মাঠ তৈরির প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন শ্রীলঙ্কান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভা, যিনি ১৬ বছর কাটিয়ে গেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটে।

ওয়েবসাইটে ছবি দেখে তো আর একটা মাঠের প্রকৃত চিত্র বোঝা যায় না। তাহলে কখনো জাপানে ক্রিকেট না খেলা বাংলাদেশ দল এশিয়াডের মাঠ ও উইকেট সম্পর্কে কীভাবে ধারণা পাবে? কীভাবে প্রস্তুতি সারবে? গতকাল মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীনের অধীনে আনুষ্ঠানিক অনুশীলন শুরু করেছে এশিয়ান গেমসের বাংলাদেশ দল। অনুশীলনের প্রথম দিনে জাতীয় দলের হেড কোচ ফিল সিমন্সও দেখা করে গেলেন শিষ্যদের সঙ্গে। এশিয়াডের দল জাতীয় দলের খেলোয়াড় নিয়েই গড়া। সিমন্স শিগগির ব্যস্ত হয়ে পড়বেন তাঁর টেস্ট দল নিয়ে।

মিরপুরে নিজেদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ২৪ সেপ্টেম্বর রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। তাদের প্রথম ম্যাচ ২৯ সেপ্টেম্বর। র‍্যাঙ্কিংয়ের সুবাদে বাংলাদেশ খেলবে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ হবে ‘বি’ গ্রুপের সেরা দল। যে গ্রুপে রয়েছে হংকং, ওমান ও মালয়েশিয়া। এশিয়াডে সব ম্যাচ দিনের আলোয়। দেশেও দিনের আলোয় খেলে তৈরি হয়ে যাবে বাংলাদেশ। অবশ্য দলের কোচিং স্টাফের এক সদস্য রসিকতা করে গতকাল বলছিলেন, ফ্লাড লাইটের আলোয় ম্যাচ খেলতে হলেও তাঁদের পক্ষে এখন খেলা কঠিন ছিল। দেশে এখন চরম বিদ্যুতের সংকট।

জাপানের উইকেট সম্পর্কে বাংলাদেশের ভরসা গামিনিই। দলীয় সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জানে, ড্রপ-ইন পিচ তৈরি করা হয়েছে এশিয়ান গেমসের জন্য। কয়েক দিন আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’ জাপানের মাঠ ও উইকেট নিয়ে করা প্রতিবেদনে যে ছবি প্রকাশ করেছে, তাতেও ড্রপ-ইন পিচ দেখা গেল। এমন উইকেটে বড় স্কোর উঠবে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশ।

এত বড় মর্যাদাপূর্ণ আসরে পদকের লড়াইয়ে যাওয়া শুধু ‘ধারণা’র ওপর ভরসা করে; সেটিই স্বাভাবিক। জাপানে তো আর ক্রিকেট খেলা হয়নি শান্তদের। পদক লড়াইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাও এখানে সাম্যাবস্থায়। গেমস তো এমনই, যেখানে সবার জন্য এক ব্যবস্থা। অচেনা-অজানা পরিবেশে যারা দুর্দান্ত খেলবে, তারাই পাবে মর্যাদার পদক।