সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছে ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই। কার হাতে উঠবে শিরোপা, তা জানতে এখনো প্রায় এক বছরের অপেক্ষা। কিন্তু দুই ফাইনালিস্ট খুঁজে বের করা তো এত সহজ নয়। বিশেষ করে, চার ও পাঁচে থাকা বাংলাদেশ-ভারত তাকিয়ে থাকছে একে অপরের দিকে।
ম্যাকাই টেস্টের আগে বাংলাদেশের সফলতার হার ছিল ৬৬.৬৭ শতাংশ। এই টেস্ট জিতলে তখন চার থেকে দুই-তিনে ওঠার সুযোগ ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের। কিন্তু ম্যাকাইয়ে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজদের সফলতার হার কমে হয়ে গেছে ৫৫.৫৬ শতাংশ। তবু বাংলাদেশ চার নম্বরে অবস্থান করছে। বর্তমান চক্রে ৬ ম্যাচে ৩ জয়, ২ হার ও ১ ড্রয়ে এশিয়ার দলটির পয়েন্ট ৪০।
বাংলাদেশ-ভারত একে অপরের মুখোমুখি না হলেও কে কেমন পারফর্ম করছে, সেদিকে নজর থাকছে দুই পক্ষেরই। কারণ, বর্তমানে পাঁচে থাকা ভারতের সফলতার হার ৫৩.৩৩ শতাংশ। যদি কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান দ্বিতীয় টেস্টে ভারত জেতে, তাহলে শুবমান গিলের দলের সফলতার হার হবে ৫৭.৫৮ শতাংশ। সেক্ষেত্রে ভারত উঠবে চারে এবং বাংলাদেশ নেমে যাবে পাঁচ নম্বরে।
যদি ভারত-শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হয়, সেটা বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির। কারণ, ড্র হলে ১১ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট পাবে ভারত। তখন তাদের সফলতার হার হবে ৫১.৫২ শতাংশ।তাতে পাঁচেই থেকে যাবে দলটি। কলম্বো টেস্টে হারলেও ভারত পাঁচে থাকবে। হারলে ভারতের সফলতার হার হবে ৪৮.৪৮ শতাংশ। শ্রীলঙ্কা তখন ৪৪.৪৪ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে ছয়েই থাকবে।
১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ৮০ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন অস্ট্রেলিয়া। দুই ও তিনে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের সফলতার হার ৭৫ ও ৭২.২২ শতাংশ।
এখন পর্যন্ত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তিন চক্রে দেখা গেছে তিন চ্যাম্পিয়ন। ২০১৯-২১ চক্রে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২০২১-২৩ চক্রে শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া। এবারও ফাইনাল খেলে ভারত। তবে সবশেষ ২০২৩-২৫ চক্রে অজিরা শিরোপা ধরে রাখতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।