ইতিহাস গড়ার পর বিশ্ব ক্রিকেটে চলছে বাংলাদেশ-বন্দনা। ইয়ান বিশপ তো বটেই, ঐতিহাসিক জয়ের পর আরও অনেকেই নাজমুল হোসেন শান্ত-তানজিদ হাসান তামিমদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। প্রশংসা করতে কার্পণ্য করেননি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াও (সিএ)। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে সিএ বলছে, ‘চলো বাংলাদেশ।’
বিউ ওয়েবস্টারকে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট নিয়ে মুমিনুল হক চার মারতেই ডারউইন হয়ে যায় এক টুকরো বাংলাদেশ। ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে সিএ একটি ভিডিও পোস্ট করেছে ‘চলো বাংলাদেশ, আরও কাছ থেকে দেখে নিন ডারউইনের অবস্থা’ ক্যাপশনে। জয়ের পর শান্ত প্যাড পরা অবস্থায় মাঠে ঢুকে সতীর্থদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়েছেন। ক্যামেরার সামনে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। ইবাদত হোসেন চৌধুরী, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদদেরও চোখে মুখে তখন হাসির ঝিলিক।
সিএর প্রকাশিত ভিডিওতে গ্যালারিতে প্রবাসী বাংলাদেশি সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছ সৌম্য সরকারকে। ডারউইনের গ্যালারি থেকে তখন ভেসে আসতে থাকে ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ স্লোগান। ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হাসান মাহমুদের গলায় পরানো হয়েছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজের লোগো সংবলিত পদক। হাস্যোজ্জ্বল হাসান সতীর্থ সৈয়দ খালেদ আহমেদের সঙ্গে যেন কী নিয়ে কথা বলেছেন।
ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানাতে ভিডিও কলে প্রধান দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মুমিনুল হক, হাসান, খালেদরা তাকিয়ে থাকেন দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবালের হাতে থাকা মোবাইল ফোনের দিকে। এরপর ক্রিকেটাররা জয়ের পর সমস্বরে চিৎকার দেন। গ্রুপ ছবিতে শান্তদের সঙ্গে প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদসহ টিম ম্যানেজমেন্টের অনেককেই দেখা গেছে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে এমন ঐতিহাসিক জয়ের পর যেন আনন্দ আর ধরে না।
অস্ট্রেলিয়াকে হারালেও ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে বাংলাদেশ চারে। শান্তর দলের সফলতার হার ৬৬.৬৭ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ারও অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি। ৭৭.৭৮ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে শীর্ষে অজিরা। ম্যাকেতে ২২ আগস্ট শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।