হোম > খেলা > ক্রিকেট

ধাক্কা খেলেন লিটন-হৃদয়রা

ক্রীড়া ডেস্ক    

আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে পেছালেন তাওহীদ হৃদয় ও লিটন দাস। ছবি: বিসিবি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবশেষ বাংলাদেশ খেলেছে আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে ঐতিহাসিক ড্রয়ের পর পেরিয়ে গেছে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়। তবে সদ্য হালনাগাদ করা র‍্যাঙ্কিংয়ে দুঃসংবাদ পেয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশ আগস্টে টেস্ট খেললেও সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছে জুলাইয়ে। ছেলেদের সাপ্তাহিক র‍্যাঙ্কিং হালনাগাদ করতে গিয়ে আইসিসি আজ মূলত টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংটাই পরিবর্তন করেছে। নতুন র‍্যাঙ্কিংয়ে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের তালিকায় দুই ধাপ পিছিয়ে ৬৫ নম্বরে নেমে গেছেন লিটন দাস। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৪৯৬। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তিন ইনিংসে ব্যাটিং করেও রানের খাতাই খুলতে পারেননি। তবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ তিনি খেলেছেন মে মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ঘরের মাঠে সেই সিরিজ বাংলাদেশ ১-১ সমতায় ড্র করেছিল।

র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন-তাওহীদ হৃদয়রাও। তিন ধাপ পিছিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৫৬ নম্বরে নেমে যাওয়া ইমনের রেটিং পয়েন্ট ৫১৪। হৃদয় পিছিয়েছেন এক ধাপ। ৫৭৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩৩ নম্বরে এখন তিনি। জুলাইয়ে বাংলাদেশ সবশেষ যে টি-টোয়েন্টি খেলেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, সেই সিরিজে অধিনায়ক ছিলেন হৃদয়। ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হৃদয় ও ইমন করেছিলেন ৪৪ ও ৩০ রান।

নামিবিয়া-জিম্বাবুয়ে-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় সিরিজের পর প্রোটিয়া ব্যাটাররা লম্বা লাফ দিয়েছেন। ৬১ ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ৪৩ নম্বরে উঠে এসেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি ব্যাটার লুহান দ্রে প্রিটোরিয়াস। উইন্ডহোকে গত ৬ সেপ্টেম্বর ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৪৮ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। একই মাঠে দুই দিন আগে (৪ সেপ্টেম্বর) নামিবিয়ার বিপক্ষে ৪৪৫ রানের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন প্রিটোরিয়াস। ৫৩ বলে ৫ চার ও ৮ ছক্কায় ১০১ রান করেছিলেন। প্রোটিয়াদের ১১ রানের হয়ে জিতেছিলেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।

প্রিটোরিয়াসের মতো এগিয়েছেন তাঁর সতীর্থ কনর এস্টারহুইজেন। ৬৫ ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ২৫ নম্বরে এখন এস্টারহুইজেন। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬২৭। আর সমান ৫৫৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৪৩ নম্বরে পাকিস্তানের বাবর আজম। বাবরের অবশ্য অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ তিনি খেলেছেন পাল্লেকেলেতে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।

টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথম দশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। ৭৫৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। দুই ও তিনে থাকা আবরার আহমেদ ও আদিল রশিদের রেটিং পয়েন্ট ৭৩৬ ও ৭১০। এক ধাপ এগিয়ে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১ নম্বরে উঠে আসা নাসুম আহমেদের রেটিং পয়েন্ট ৬৪৬।

৯১০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ইশান কিষাণ। দুই ও তিনে থাকা সাহিবজাদা ফারহান ও অভিষেক শর্মার রেটিং পয়েন্ট ৮৪৮ ও ৮১৯। সেরা দশে কেবল দুটি জায়গা পরিবর্তন হয়েছে। এক ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে চার নম্বরে উঠে আসা ফিল সল্টের রেটিং পয়েন্ট ৭৯৯। পাঁচ নম্বরে নেমে যাওয়া ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের রেটিং পয়েন্ট ৭৮৯। তিনি পিছিয়েছেন এক ধাপ।