হোম > খেলা > ক্রিকেট

জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা

ক্রীড়া ডেস্ক    

১১ রানে জিতেছে প্রোটিয়ারা। ছবি: ক্রিকইনফো

রান পাহাড় গড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি নামিবিয়ার ব্যাটাররা। কিন্তু দুর্দান্ত শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত পেরে উঠল না শক্তির বিচারে পিছিয়ে থাকা দলটি। লিগ পর্বের সব ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে পা রাখল প্রোটিয়ারা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের সঙ্গী জিম্বাবুয়ে।

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে যেতে হলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিততেই হতো নামিবিয়াকে। এই সমীকরণ মেলাতে পারেনি জেরার্ড এরাসমাসের দল। ১১ রানে হেরে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিল তাঁরা।

নামাবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ২২৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ১১৯ রান এনে দেন নামিবিয়ার দুই ওপেনার লওরেন স্টেনক্যাম্প ও ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক। তখন ১০.৫ ওভারের খেলা চলছিল। ৩৬ বলে ৬ চার ও ৫ ছক্কায় ফ্রাইলিঙ্ক ৭২ রান করে আউট হলে এই জুটি ভাঙে। এমন শুরুর পরও তিনে নামা এরাসমাসের ওয়ানডে মেজাজি ব্যাটিংয়ে কারণে জয়ের সমীকরণ মেলাতে পারেনি নামিবিয়া। ২৬ বলে ৩০ বলে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক।

এরাসমাস বলের চাহিদা মিটিয়ে ব্যাট করতে না পারায় শেষ দিকে নামা রুবেন ট্রাম্পেলম্যানের ১০ বলে ২১ রানের ইনিংস কেবল হতাশাই দীর্ঘ করেছে নামিবিয়ার। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬১ রানের করেন স্টেনক্যাম্প। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৪ বলের এই ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৭ রানে থামে নামিবিয়া। ২ উইকেট নিতে ৪৩ রান খরচ করেন মোকোয়েনা।

দক্ষিণ আফ্রিকা এই পুঁজি দাঁড় করিয়েছিল লুয়ান দ্রে প্রিটোরিয়াসের সেঞ্চুরি ও কনর এস্টারহুইজেনের ফিফটিতে। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ১০১ রান এনে দেন প্রিটোরিয়াস। এই ওপেনারের ৫৩ বলের ইনিংসটা সাজানো ৫ চার ও ৮ ছক্কায়।

৪০ বলে ৬ চার ও ৮ ছক্কায় এস্টারহুইজেনের অবদান ৮৮ রান। উদ্বোধনী জুটিকে প্রিটোরিয়াসের সঙ্গে ১৫৬ রান করেন তিনি। এ ছাড়া ২১ বলে ২৬ রান করেন রুবিন হারমান। নামিবিয়ার হয়ে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন ইয়ান বাল্ট।