হারটা ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। শেষ উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাসকে নিয়ে বাবর আজমের প্রতিরোধ কেবল ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। এই জুটি মহানাটকীয় কিছু করতে না পারায় হার এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। আব্বাস আউট হতেই ৯০ রানে হেরে যায় সফরকারীরা।
ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ২১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস থেমেছে মাত্র ১২০ রানে। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগামী ২ আগস্ট পোর্ট অব স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালে খেলতে নামবে দুই দল।
হাতের নাগালে থাকা লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৭১ রান করতেই প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন অতিথিদের ৯ ব্যাটার। সে ধাক্কা সামলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আউট হওয়া প্রথম ৯ ব্যাটারের মধ্যে কেবল মোহাম্মদ রিজওয়ান (১১) ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কের কোটায় যেতে পারেননি।
পাকিস্তান ১০০ রান করতে পারে কি না, সেটা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ উইকেট জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অপেক্ষা বাড়ান বাবর ও আব্বাস। জেডন সিলসের বলে আব্বাস (২৩) এলবিডব্লু হলে ভাঙে ৪৯ রানের জুটি। ইনিংসে পাকিস্তানের প্রাপ্তি বলতে ওই এতটুকুই। ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন বাবর।
প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩১১ রানের জবাবে দারুণ সম্ভাবনার পরও গ্রিভসের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২৮২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ২৭ রানে ৫ উইকেট নেন গ্রিভস। দ্বিতীয় ইনিংসে সিলসের তাণ্ডবে পুড়েছে অতিথিরা। ২০ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া কেমার রোচ ও গ্রিভস নেন দুটি করে উইকেট।
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ঢাকা পড়ল আব্বাসের বোলিং পারফরম্যান্স। প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটর পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নেন এই পেসার। কম যাননি মোহাম্মদ আলী। তাঁর শিকার যথাক্রমে ৪ ও ২ উইকেট।