হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশের দুঃস্বপ্নের সেশন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

স্টার্ক একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। ছবি: ক্রিকইনফো

টানা সাড়ে তিন দিন দাপুটে ক্রিকেট খেলে ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সফরকারীদের আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্সে কুপোকাত হয়েছিল অজিরা। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হতেই বদলে গেল সে দৃশ্যপট। সেই আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশই এখন রীতিমতো অসহায়।

ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশন শেষে ৩৫ রান করতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তরা। এ যেন শুরু না হতেই শেষের আভাস দিচ্ছে দলটি।

দুঃস্বপ্নের এই সেশন শেষে এখন নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ৪৩ রানে অলআউট হয়েছিল তারা।সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড এড়াতে আরও ৯ রান করতে হবে অতিথিদের। প্রথম সেশনের প্রেক্ষাপটে সেটা কঠিন বটে।

প্রথম সেশনে এক মিচেল স্টার্কের আগুনে বোলিংয়েই পুড়ল বাংলাদেশ। তাদের পতন হওয়া ৬ উইকেটের পাঁচটিই নিয়েছেন এই পেসার; দিয়েছেন মাত্র ১১ রান। প্রথম ২২ ডেলিভারিতেই ৫ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। তাতে টেস্ট ইতিহাসের চতুর্থ দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ডও অবশ্য তাঁর দখলে। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলেই ৫ ব্যাটারকে ফেরান স্টার্ক।

ইনিংসের প্রথম বলেই আঘাত হানেন স্টার্ক। তাঁর বলে ক্যামেরুন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদমান ইসলাম। শুরুর সে ধাক্কা সামলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। এরপর একে একে তানজিদ হাসান তামিম, শান্ত, মুমিনুল হক ও লিটন দাসকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান স্টার্ক। ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন (২৬) রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ৫ ব্যাটারের মধ্যে সাদমান, তানজিদ, শান্ত ও লিটন রানের খাতাই খুলতে পারেননি।

ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন মুশফিক। রানের চিন্তা না করে ক্রিজে টিকে থাকতে কখনো বল ছেড়েছেন আবার কখনো সলিড ডিফেন্স করতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু প্যাট কামিন্সের দারুণ এক ডেলিভারিতে শেষ হয় মুশফিকের ৪২ বলের লড়াকু ইনিংস; ৫ রান করেন তিনি। মিরাজ ১১ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির পর ব্যাট করতে নামবেন। তাঁর সঙ্গী হাসান মাহমুদ ৮ রানে অপরাজিত আছেন।