লেগস্পিনের ঘূর্ণিজাদুতে ব্যাটারদের ভড়কে দিতে ভালোই জানেন রশিদ খান। গতকাল ‘দ্য হান্ড্রেডে’ ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন তিনি। গুনে গুনে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়ে ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন আফগান তারকা লেগস্পিনার।
বাবার দুর্দান্ত বোলিংয়ের কীর্তির দিনে লন্ডনের ওভালের গ্যালারিতে ছিল তিন মাসের ছেলে আজলান। এই অল্প বয়সে ক্রিকেট সম্পর্কে রশিদের ছেলের তেমন কিছু বোঝার কথাই নয়। তিন মাস বয়সী ছেলের উপস্থিতিতে ৫ উইকেট নেওয়ার দিনটা তাঁর মনে থাকবে আজীবন। ছেলেকে কোলে নিয়ে নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আফগান তারকা লেগস্পিনার লিখেছেন, ‘একটি বিশেষ দিন, যা আমি সারাজীবন মনে রাখব। আমার ছোট্ট ছেলের প্রথমবার আমাকে খেলতে দেখা, আর সেই দিনই আমি ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছি।’
১০০ বলের টুর্নামেন্ট ‘দ্য হান্ড্রডে’ এবার রশিদ খেলছেন এমআই লন্ডনের হয়ে। ওভালে গতকাল ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ১৭ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ইংল্যান্ডের শত বলের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এটাই তাঁর প্রথম ফাইফার। লন্ডনের ৪৫ রানের জয়ের পর ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তাঁর হাতে।
ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করা রশিদ খান তিন মাসের ছোট্ট আজলানকে জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ বলে অভিহিত করেছেন। ইনস্টাগ্রামে যে ছবি পোস্ট করেছেন, সেখানে ছেলের জার্সিতে লেখা আজলান। আফগান তারকা লেগস্পিনার বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় সমর্থক, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ, আমার সৌভাগ্যের প্রতীক আজলান।’ ছেলের নামের সঙ্গে ভালোবাসার ইমোজি জুড়ে দিয়েছেন রশিদ।
হান্ড্রেডে এর আগে রশিদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ছিল ২০২৪ সালে। ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে সেবার ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। লন্ডন স্পিরিটের বিপক্ষে রকেটস জিতেছিল ২২ রানে। সেবারও পেয়েছিলেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। দুই বছর পর এবার ভিন্ন দলের হয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলেন রশিদ। টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে লন্ডন ৬ উইকেটে করে ১৮৩ রান। উইল জ্যাকস ও নিকোলাস পুরান করেন ৬২ ও ৫৪ রান। জবাবে ৫ বল বাকি থাকতে ১৩৮ রানে গুটিয়ে যায় ম্যানচেস্টার।