হোম > খেলা > ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশের ‘আগুনে’ পুড়েছিল পাকিস্তানও

ক্রীড়া ডেস্ক    

বাংলাদেশের আগুনে বোলিংয়ে আজ ১৯৮ রানে গুটিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। ছবি: এএফপি

গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।

রাওয়ালপিন্ডি থেকে ডারউইন—প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার দূরত্বের দুই শহরে দুই বছর ব্যবধানে দুই স্বাগতিক দলকে কাঁপিয়ে দিল বাংলাদেশ। টেস্ট ইতিহাসে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটের ১০টিই পেসারদের তুলে নেওয়ার কীর্তি বাংলাদেশ গড়েছে এ সময়েই। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের ১০ উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছিলেন তিন পেসার হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ।

টেস্টে দুইবার প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটের ১০টিই তুলে নিয়েছেন পেসাররা। ছবি: আজকের পত্রিকা গ্রাফিকস

আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও তিন পেসার মিলিয়ে নিয়েছেন ১০ উইকেট। যার মধ্যে হাসান, তাসকিন এই দুই পেসার দুই ভেন্যুতেই আছেন। পার্থক্য এটাই যে রানা পাকিস্তানে থাকলেও নেই ডারউইনে। এবার হাসান, তাসকিনের সঙ্গে ইবাদত মিলে অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দিয়েছেন।

রাওয়ালপিন্ডি ও ডারউইনের মধ্যে একটা মিলও রয়েছে। দুই ভেন্যুতেই হাসানের ফাইফার রয়েছে। সেবার তিনি পেয়েছিলেন ৫ উইকেট। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হাসান মাহমুদ ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং করেছেন। তাসকিন-ইবাদত দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। আর দুই বছর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৩ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। রানা ও তাসকিন ৪ ও ১ উইকেট পেয়েছিলেন। সেবার পাকিস্তান ১৭২ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। আজ অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ।

২০২৪ সালে পাকিস্তানের পর ভারতের বিপক্ষেও ৫ উইকেট নিয়েছিলেন হাসান। টেস্টে এখন পর্যন্ত ৪২ উইকেটের ৩০টিই তিনি পেয়েছেন বিদেশের মাঠে। টেস্টের তিন ফাইফারের তিনটিই নিয়েছেন বিদেশে। ঘরের বাইরে টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফাইফারের কীর্তি এখন তাঁর। এর আগে রবিউল ইসলাম ২০১০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ১২ ইনিংস বোলিং করে দুইবার বিদেশে নিয়েছিলেন ফাইফার।