শেষ দিকে মোহাম্মদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। কিন্তু তাঁদের এই জুটি খুব বেশি ভুগাতে পারেনি ইংল্যান্ডকে। আব্বাস জফরা আর্চারের বলে হ্যারি ব্রুকের হাতে ধরা পড়তেই শেষ হয় পাকিস্তানের ইনিংস।
এজবাস্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। বাজে ব্যাটিংয়ে হেডিংলির পর লর্ডসেও হেরেছে সফরকারীরা। ধবলধোলাই এড়াতে শেষ টেস্টের আগে দলে ৭ পরিবর্তন আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
পরিবর্তনের হিড়িক ছিল একাদশেও। লর্ডস টেস্টের একাদশ থেকে চার পরিবর্তন নিয়ে আজ মাঠে নামে পাকিস্তান। তবু বাজে সময়ের বৃত্ত থেকে বের হতে পারল না তারা। ইংল্যান্ডের পেসারদের তোপের মুখে আরও একবার চোখে সর্ষে ফুল দেখল এশিয়ার দলটি।
শুরুতেই সাইম আইয়ুবকে বিদায় করেন ওলি রবিনসন। টেস্ট দলে ফেরা এই ওপেনার রানের খাতা খুলতে পারেননি। এরপর একে একে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আজান আওয়াইস, আব্দুল্লাহ শফিক, শান মাসুদ ও বাবর। ৪৮ রানে ইনিংসের অর্ধেক হারায় পাকিস্তান। এদের সবাই আউট হয়েছেন এক অঙ্কের ঘরে।
ব্যাটিংয়ে বিপর্যয়ে ১০০ রানের আগেই অলআউটের শঙ্কায় ছিল পাকিস্তান। কিন্তু সতীর্থদের আসা যাওয়ার বিপরীতে প্রতিরোধ গড়েন সৌদ শাকিল। তাঁর ব্যাটে চড়ে পাকিস্তানের দলীয় সংগ্রহ তিন অঙ্কের কোটা পার করে। দারুণ ব্যাট করতে থাকা শাকিলের ইনিংস থামে ৪৩ রানে। ৪৭ বলে ৭ চারের সাহায্যে ইনিংস সাজান তিনি। শাকিল ফিরলে ১০৭ রানে নবম উইকেট হারায় পাকিস্তান।
শেষ উইকেটে ২৬ রান যোগ করেন আব্বাস ও আলী। ৪ বাউন্ডারিতে ২১ রান করে আউট হন আব্বাস। ৫ রানে অপরাজিত থাকেন আলী।
৪২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল জশ টাং। আর্চার ও রবিনসনের শিকার তিনটি করে উইকেট।