হোম > খেলা > ক্রিকেট

তাইবুর-সাদিকের সেঞ্চুরি, তিন দিনেই হার বরিশালের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

১০৮ রানের ইনিংস খেলেছেন তাইবুর রহমান। সপ্তম উইকেটে সুমন খানের সঙ্গে ১৭২ রানের জুটি গড়ে ঢাকাকে এগিয়ে নিতে অবদান রেখেছেন তাইবুর। ছবি: বিসিবি

হার কেবল সময়ের ব্যাপার ছিল বরিশালের। দেখার ছিল ইনিংস হার এড়িয়ে কত দূর যেতে পারে তারা। কিন্তু খুলনার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বরিশাল। শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে তিন দিনেই ইনিংস ও ১৩৫ রানে জিতেছে খুলনা।

বরিশালের অসহায় আত্মসমর্পণের দিনে জাতীয় লিগে দুই ব্যাটার সেঞ্চুরি পেয়েছেন। আজ জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) তৃতীয় দিনে তাইবুর রহমান ও সাদিকুর রহমান তিন অঙ্ক ছুঁয়ে নিজ নিজ দলকে এগিয়ে দিয়েছেন। যেখানে মিরপুরে রংপুরের বিপক্ষে ঢাকাকে খাদের কিনারা থেকে সেঞ্চুরিতে উদ্ধার করেছেন তাইবুর।

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে রাজশাহীর বিপক্ষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৯০ রানে আজ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে চট্টগ্রাম। দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদিক সেঞ্চুরি করেছেন। জয় আউট হয়েছেন ১০৫ রান করে। সাদিকুর করেছেন ১১৫ রান। ৩৯৩ রান করে চট্টগ্রাম লিডটা নিয়ে গেছে ২৯ রানে।

এমনিতেই ২৯ রানে পিছিয়ে, তার ওপর দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। ২ উইকেটে ৪৬ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে দলটি। নাইম আহমেদ ৩০ রানে অপরাজিত। প্রীতম কুমার ব্যাটিং করছেন ৯ রানে। লিডের হিসেব করলে রাজশাহী এগিয়ে ১৭ রানে।

মিরপুরে আজ ৬ উইকেটে ১২০ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ঢাকা। তবে দল ৭৪ রানেই হারিয়ে ফেলে ৬ উইকেট। সপ্তম উইকেটে ১৭২ রানের জুটি গড়েন তাইবুর রহমান ও সুমন খান। তাইবুর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। করেছেন ১০৮ রান। তবে সুমন ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। লোয়ার অর্ডারের দুই ব্যাটার তাইবুর-সুমনের ১০৮ ও ৯৪ রানের দুই ইনিংসের সৌজন্যে ঢাকা করেছে ২৮৪ রান।

সব মিলিয়ে ৬২ রানের লিড পেয়েও স্বস্তিতে নেই রংপুর। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে দলটি। ঢাকার আরিফ আহমেদ, এনামুল হক, রিপন মন্ডল প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন। এদিকে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে খুলনা নিজেদের প্রথম ইনিংসে করে ৪২৬ রান। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৮৯ রান। সর্বোচ্চ ৯২ রান করেন কালাম সিদ্দিকী অ্যালেন।

খুলনার ৪২৬ রানের জবাবে বরিশাল প্রথম ইনিংসে ৯৪ রানে গুটিয়ে গেলে তাদের ফলোঅন করানো হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশাল গুটিয়ে যায় ১৯৭ রানে। ইনিংস ও ১৩৫ রানে জয়ী খুলনার ম্যাচসেরা হয়েছেন সফর আলী। ব্যাটিংয়ে করেছেন ২৯ রান। ম্যাচে ৬৫ রানে নিয়েছেন ৬ উইকেট।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিলেটের বিপক্ষে ১৩২ রানে এগিয়ে ময়মনসিংহ। ময়মনসিংহের প্রথম ইনিংসে ৩১১ রানের পর সিলেট নিজেদের প্রথম ইনিংসে করে ৩২৭ রান। তিন ব্যাটার ফিফটি করেছেন। অধিনায়ক জাকির হাসান করেন ৬০ রান। সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন আসাদুল্লাহ আল গালিব। মিডল অর্ডারে তোফায়েল আহমেদের ব্যাটে আসে ৫৯ রান।

ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ১৪৮ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে। মাহফিজুল ইসলাম রবিন ৮৬ রানে ব্যাটিং করছেন। অধিনায়ক রাকিবুল হাসান এসে ২ বল খেলে এখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি। ৫৭ রান করা ওপেনার খালিদ হাসানকে ফিরিয়েছেন নাঈম আহমেদ।