এ বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকেরও প্রশ্ন কেন এবার হচ্ছে না বাংলাদেশের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। এমনকি তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না।
বিপিএল কেন এবার আয়োজন করতে পারছেন না—সে ব্যাপারে কদিন আগে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তামিম। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আজ যখন আমিনুল গিয়েছেন, তখন সাংবাদিকেরা জানতে চাইলেন তামিম কি এ ব্যাপারে (বিপিএল না হওয়া) তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করেছেন? সংবাদমাধ্যমকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, আমিতো আপনাদের কাছ থেকেই মাত্র শুনলাম। আমিতো জানতাম না যে তারা খেলবে না (বিপিএল)।’
ফারুক আহমেদ যখন বিসিবি সভাপতি ছিলেন, তখন তাঁকে বিপিএল আয়োজনের জন্য চাপ দিয়েছিলেন তামিম ও অন্যান্য ক্রিকেটাররা। এবার তামিম যখন বিসিবি প্রধানের চেয়ারে বসলেন, তখন তিনি আয়োজন করতে পারছেন না বাংলাদেশের এই টি-টোয়েন্টিভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। তাতে করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিসিবির বর্তমান সভাপতি।
আমিনুলের মতে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট প্রত্যেক বছর হওয়া উচিত। কেন এবার বিপিএল হচ্ছে না, সেটা নিয়ে কথা বলার দরকার মনে করেন তিনি। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আজ সংবাদমাধ্যমে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে যেটা মনে হয় যে আমাদের এই বিপিএলটা যেহেতু অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি টুর্নামেন্ট। এ ধরনের টুর্নামেন্টগুলো (বিপিএল) প্রত্যেক বছর হওয়া উচিত। এটা কেন হয়নি, সেটা নিয়ে আমার মনে হয় যে কথা বলার প্রয়োজন রয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের টুর্নামেন্টগুলো নিয়মিত হয়, সেই জায়গাগুলো নজরদারিতে রাখব।’
বিপিএল না হলে রুটিরুজিতে টান পড়বে—দুই বছর আগে ক্রিকেটাররা তখনকার পরিচালনা পর্ষদের ওপর এভাবেই চাপ প্রয়োগ করেছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে। এবার বিপিএল না হলে বিসিবি কীভাবে আর্থিকভাবে পুষিয়ে দেবে ক্রিকেটারদের, সেটি নিয়ে তামিমদের সঙ্গে গত কদিনে বেশ কয়েকবার বসেছিল ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। ছেলে, মেয়ে সব ক্রিকেটারদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট, টি-টোয়েন্টি, লিস্ট ‘এ’—সব টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তামিম।