বাকিদের আসা যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখে একা লড়াই করে যাচ্ছিলেন ক্যামেরুন গ্রিন। বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে উঠেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই অলরাউন্ডার। তাঁকে ফেরান হাসান মাহমুদ। এর পরপরই থামে অজিদের ইনিংস।
ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের লিড নিয়েছি বাংলাদেশ। অর্থাৎ জেতার জন্য ৫৭ রান করতে হবে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে।
৪ উইকেট নিয়ে ১৬১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম সেশনে ৮২ রান করলেও ৩ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকেরা। তাতে তাদের লেজ বের হয়ে আসে। একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে টিকে ছিলেন কেবল গ্রিন। সেঞ্চুরির পর তিনি হাসানের বলে আউট হলে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেওয়ার আশা শেষ হয় যায় অস্ট্রেলিয়ার।
কিছুটা ভাগ্যের ছোঁয়ায় গ্রিনের উইকেট পেয়েছেন হাসান। তাঁর নিচু ডেলিভারি গ্রিনের ব্যাটে লেগে স্টাম্পে আঘাত হানে। তাতেই থামে তাঁর ১০৪ রানের লড়াকু ইনিংস। গ্রিনের ৪ চার ও ১ ছক্কা এই ইনিংসই মূলত বাংলাদেশের অপেক্ষা দীর্ঘ করেছে। অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করার পথে শেষ তুলির আঁচড়টা দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৫ রান করা নাথান লায়ন এই স্পিনারের এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়লে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে দিনের প্রথম সেশনেও বল হাতে একা ছড়িয়ে ঘুরিয়েছেন মিরাজ। শুরুটা করেছিলেন অ্যালেক্স ক্যারিকে (৩০) লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে। এরপর বিউ ওয়েবস্টার (৫) ও প্যাট কামিন্সের উইকেটও তুলে নেন তিনি। মিরাজের দারুণ বোলিং প্রথম তিন দিনের মতো চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনটাও নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে লড়াকু ফিফটির পর এবার অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করতে সবচেয়ে বড় অবদান মিরাজের। প্রতিপক্ষের ইনিংসের অর্ধেক পকেটে পুরলেন তিনি। ৫ উইকেট নেওয়ার পথে ১.৯৯ ইকোনমিতে ৬৬ রান খরচ করেন মিরাজ। ৬৬ রানে হাসান নেন ৩ উইকেট।