হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট কয় দিনে শেষ হবে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের আগে দুই দলের অধিনায়ক। ছবি: বিসিবির ফেসবুক পেজ

জয়-পরাজয় নয়, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শুরুর আগে একটাই প্রশ্ন সবার মনে—পাঁচ দিন টিকে থাকতে পারবে তো সফরকারীরা? সিরিজ শুরুর আগের দিন স্বাগতিকদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকেও দিতে হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তর।

এই প্রশ্ন উঠার পেছনে মূল কারণ সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বাজে ব্যাটিং। ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানে হেরেছে শান্তরা; তাও মাত্র আড়াই দিনেই। অস্ট্রেলিয়া সফরেও ব্যাটিংয়ে দৈন্যদশা ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে পুরো তিন দিন খেলতে পারেনি অতিথিরা। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস এবং ৩৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রানে করেছিল দলটি।

ব্যাটারদের এমন ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পুরো পাঁচ দিন টিকে থাকাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। সে চ্যালেঞ্জে উতরে যাওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে ব্যাটারদেরকেই। কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, স্কট বোল্যান্ডদের মতো বিশ্বমানের পেসারদের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারলেই কেবল লড়াই করতে পারবে বাংলাদেশ।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে আগামীকাল ডারউইনে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে সিরিজের দ্বিতীয় এবং শেষ টেস্ট খেলতে নামবে দুই দল। সিরিজ শুরুর আগে আজ ট্রফি উন্মোচন করেছেন দুই দলের অধিনায়ক।

ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন কামিন্স। ম্যাচ কয় দিনে শেষ হবে—এমন প্রশ্নের জবাব অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক দিলেন খুব সংক্ষেপে, ‘কে জানে।’

২০০৩ সালের পর প্রথমবার নিজেদের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামছে অস্ট্রেলিয়া। লম্বা বিরতি না দিয়ে নিয়মিত দলটির বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলতে চান কামিন্স। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কয়েকবার খেলেছি, অবশ্যই আইসিসির ইভেন্টে এবং বাংলাদেশেও। কিন্তু এখানে এত বেশি খেলিনি। বছরের এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের খেলতে পারাটা দারুণ। আমি চাই এমনটা আরও বেশি হোক। টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সৌন্দর্য হলো, আপনি বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে খেলেন। প্রতিবারই চ্যালেঞ্জটা আলাদা। প্রত্যেক দল একটু ভিন্ন ধরনের ক্রিকেট খেলে। তাই হ্যাঁ, আমি অবশ্যই আরও বেশি খেলতে চাই।’