হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাবর এখন কীভাবে পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেবেন

ক্রীড়া ডেস্ক    

সিরিজ হেরে তােপের মুখে পাকিস্তান অধিনায়ক। ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজ হারের পর বেশ চাপের মুখেই আছেন বাবর আজম। দলে একের পর এক পরিবর্তনের মাঝে তারকা ক্রিকেটার কীভাবে নেতৃত্ব চালিয়ে যাবেন সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল আথারটনের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাবরের জন্য কাজটি মোটেও সহজ হবে না।

হেডিংলি ও লর্ডসে বাজেভাবে হারের পর দলের কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সাতজন ক্রিকেটারের পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাবরের টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবিও উঠেছে।

এমন পরিস্থিতিতে অধিনায়ক হিসেবে বাবরের কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আথারটন। স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেট পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, একজন অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজমের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। এই কাঠামোয় তার কিংবা পাকিস্তানের যেকোনো অধিনায়কেরই আসলে কতটা কর্তৃত্ব আছে?’

বর্তমান ক্রিকেটে অধিনায়কদের হাতে আগের মতো সর্বময় ক্ষমতা না থাকলেও দলের ভেতরে তাদের কিছুটা কর্তৃত্ব থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন আথারটন, ‘এটা ঠিক যে, এখনকার দিনে অধিনায়ক সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নন। ৩০ বছর আগের সময়ে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়, যখন অধিনায়কেরাই হয়তো সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে দলের ভেতরে তাদের কিছুটা কর্তৃত্ব তো থাকতেই হবে। যা ঘটেছে, এরপর এখন আপনি ওই দলকে কীভাবে নেতৃত্ব দেবেন?’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে হারের পর লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে পরাজিত হয় তারা। তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় টেস্টে নামবে পাকিস্তান।

এজবাস্টনে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে নামবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা পাকিস্তান। হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং দলের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের হাওয়ায় সে ম্যাচে বাড়তি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে সফরকারীদের জন্য।

তবে শেষ টেস্টে জেতাই পাকিস্তানের জন্য একমাত্র সমাধান মনে করছেন না আথারটন। পিসিবির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। আথারটন বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে নয়। কারণ দীর্ঘমেয়াদে এর যে ক্ষতি হবে, সেটাই বড় বিষয়। খেলোয়াড়দের এভাবে পরিচালনা করার কোনো মানে নেই এবং এভাবে দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনাও গড়ে তোলা সম্ভব নয়।’