৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে ধবলধোলাই হয়েছে পাকিস্তান। ব্যাটিং-বোলিংয়ে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের মধ্যেই টেস্ট নিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা জানালেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের ব্যর্থতার পর দলের টেস্ট ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেটে ফেরার প্রস্তুতি হিসেবে প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে খেলছেন আফ্রিদি। ২০১৯ সালের পর পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে এটিই তাঁর প্রথম প্রতিযোগিতামূলক লাল বলের ম্যাচ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দলে জায়গা পাননি আফ্রিদি। টেস্ট দলে নিজের জায়গা পুনরুদ্ধার করতে ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করাই এখন তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। ২০১৮ সালে টেস্ট অভিষেকের পর ৩৪ ম্যাচে ১২৬ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। তাঁর কাছে লাল বলের ক্রিকেটই প্রথম অধিকার।
আইসিসিকে আফ্রিদি বলেন, ‘লাল বলের ক্রিকেট সব সময়ই আমার প্রথম অগ্রাধিকার। আমি সব সময়ই এটি ভালোবেসেছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কারণে যথেষ্ট সময় খেলতে পারিনি। তবে গত কয়েক মাসে খুব বেশি ক্রিকেট খেলিনি। তাই লাল বলের ক্রিকেট খেলার এটি একটি সুযোগ।’
টেস্টে ফেরার প্রস্তুতিতে ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন আফ্রিদি। তাঁর মতে, দীর্ঘ সংস্করণে মাঠে বেশি সময় কাটালে আত্মবিশ্বাস বাড়ার পাশাপাশি বোলিংয়ের লাইন-লেংথ আরও নিখুঁত হয়।
বড় ভাই রিয়াজ আফ্রিদির কাছ থেকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট সম্পর্কে অনেক কিছু শেখার কথাও জানিয়েছেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, ‘আমার বড় ভাই রিয়াজ আফ্রিদির কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি, কারণ তিনি অনেক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেছেন। দীর্ঘ সংস্করণে যত বেশি সময় মাঠে কাটাবেন, আত্মবিশ্বাসের জন্য তত ভালো হবে এবং আপনার লাইন ও লেংথও আরও নিখুঁত হবে।’
সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘ সময় লাল বলের ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার বিষয়টিও স্বীকার করেছেন আফ্রিদি, ‘গত কয়েক মাস লাল বলের ক্রিকেট খেলিনি। এর আগে অবশ্য টানা লাল বলের ক্রিকেট খেলেছি।’