বাজে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর স্থানটাই বলে দিচ্ছে অনেক কিছু। যেখানে বাংলাদেশও তাদের চেয়ে এগিয়ে। দুঃসময়ের চক্রে ঘুরপাক খেতে থাকা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবার অগ্রিম সিরিজ জিতেছে ইংল্যান্ড।
এ বছরের শুরুতেও টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে শ্রীলঙ্কা এগিয়ে ছিল বাংলাদেশের চেয়ে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার অবস্থান ছিল ৯ ও ৮ নম্বরে। আট মাস পর চিত্রটা উল্টো। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৮ ও ৯ নম্বরে। বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ২২৪ ও শ্রীলঙ্কার ২২০। এরই মধ্যে ২০২৬ সালে ১৭ টি-টোয়েন্টি খেলা শ্রীলঙ্কা কেবল ৫ ম্যাচে জয় পেয়েছে। হেরেছে ১২ ম্যাচ।
ইংল্যান্ডের কাছে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে হেরে সিরিজ খোয়ানো শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য এবার হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। কার্ডিফে গত রাতে ৬ উইকেটে হারের পর লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কাও নিজেদের দৈন্যদশার কথা তুলে ধরেছেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আসালাঙ্কা বলেন, ‘সত্যি বলতে টি-টোয়েন্টিতে দল হিসেবে আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে। এখনো মান অনুযায়ী খেলতে পারছি না। তাই আমরা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে রয়েছি।’
সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সঙ্গে ন্যুনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। সাউদাম্পটনে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের দেওয়া ২৫৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লঙ্কানরা হেরেছে ১১৯ রানে। কার্ডিফে গতকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে পাওয়ারপ্লেতে (প্রথম ৬ ওভার) ২ উইকেটে ৫৬ রান তোলে। তবে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি লঙ্কানরা। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে করে ১৪৫ রান। জবাবে ১২.১ ওভারে ৪ উইকেটে ১৪৬ রান করে ইংল্যান্ড।
নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন আসালাঙ্কা। কার্ডিফে গতকাল ইংল্যান্ডের কাছে ৬ উইকেটে হারের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে লঙ্কান অধিনায়ক বলেন, ‘পারফরম্যান্স নিয়ে আমরা হতাশ। পাওয়ারপ্লেতে আমরা ম্যাচেই ছিলাম। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোটা হতাশাজনক। নিজেদের স্বাভাবিক ক্রিকেটটা খেলতে পেরেছি বলে মনে হয় না। ভালো শটও খেলতে পারিনি। তবে তারা সত্যিই দুর্দান্ত খেলেছে।’
বাংলাদেশ এ বছর শ্রীলঙ্কার অর্ধেকেরও কম টি-টোয়েন্টি খেলেছে। ৮ টি-টোয়েন্টি খেলে জিতেছে ৩ ম্যাচ। হেরেছে ৫ ম্যাচ। যার মধ্যে ঘরের মাঠে জুনে বাংলাদেশ ধবলধোলাই হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে। এর আগে মে মাসে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ড্র হয় ১-১ সমতায়। এই টি-টোয়েন্টি সিরিজেরও স্বাগতিক বাংলাদেশ। আর জুলাইতে জিম্বাবুয়ের মাঠে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।