হোম > খেলা > ক্রিকেট

২৫০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে শ্রীলঙ্কা

ক্রীড়া ডেস্ক    

মাঠের পারফরম্যান্স যেমনই হোক, বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপে ২৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে শ্রীলঙ্কা। ছবি: সংগৃহীত

সরকারি হস্তক্ষেপের বিরূপ প্রভাব পড়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) ওপর। নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আয়োজকস্বত্ব হারিয়েছে লঙ্কানরা। ভেন্যু বদলে আগামী বছরের শুরুতে এই টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে ভারতে। আয়োজকস্বত্ব হারানোয় শ্রীলঙ্কার প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ক্ষতির সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে এসএলসি একটি সরকার-নিযুক্ত রূপান্তরকরণ কমিটির মাধ্যমে চলছে। শ্রীলঙ্কার ডেইলি মিরর সূত্রের মাধ্যমে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এসএলসি কমপক্ষে ২ কোটি ডলার রাজস্ব হারাতে যাচ্ছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ২৪৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি সমাধান এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বোর্ড নির্বাচন আয়োজন না করা হলে শ্রীলঙ্কার আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার অধিকার হুমকির মুখে পড়তে পারে—এমন সতর্কবার্তা কয়েক মাস আগেই আইসিসি এসএলসিকে দিয়েছিল বলে লঙ্কান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

অন্তর্বর্তীকালীন ক্রিকেট প্রশাসনের মধ্যে নিষেধাজ্ঞার মতো উদ্বেগের ব্যাপারটি এসএলসিকে আগেই জানানো হয়েছিল বলে ডেইলি মিররের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। তবু সেটা ক্রীড়ামন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিসানায়েকের নজরে আসেনি।

তিন বছরের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার শ্রীলঙ্কা কোনো আইসিসি ইভেন্টের আয়োজনের অধিকার হারাল। ২০২৩ সালে বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে ২০২৪ সালে ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপও শ্রীলঙ্কা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেটি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়।

আগামী বছরের ১৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে হবে নারী চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম মৌসুম। মুম্বাইয়ের ব্র্যাবোর্নের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া, ভাদোদারা—এই দুই ভেন্যুতে হবে আইসিসির এই ইভেন্ট। শ্রীলঙ্কা আয়োজকস্বত্ব হারালেও টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে থাকছে শ্রীলঙ্কা।

৬ জুলাই কাট অফ ডেটে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে ছিল বলেই লঙ্কানরা থাকছে এই টুর্নামেন্টে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশগ্রহণ করা অন্য পাঁচ দল হলো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রায় দুই মাস আগের আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল আট ও দশ নম্বরে।