হোম > খেলা > ক্রিকেট

আইসিসির প্রস্তাবে জিম্বাবুয়ে রাজি, আফগানিস্তান-আয়ারল্যান্ডের না

ক্রীড়া ডেস্ক    

জিম্বাবুয়ে রাজি হলেও আইসিসির প্রস্তাবে আফগানিস্তান সাড়া দিচ্ছে না। ছবি: ক্রিকইনফো

২০১৯ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত যে চার চক্রের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে তাতে প্রত্যেকবারই অংশ নিয়েছে ৯ দল। পরবর্তীতে ১২ দলের টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নতুন প্রস্তাবে জিম্বাবুয়ে রাজি হলেও আফগানিস্তান- আয়ারল্যান্ড সায় দিল না।

এ বছরের এপ্রিলে আইসিসির একটি ওয়ার্কিং কমিটি বর্তমান ৯ দলের সঙ্গে জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডকে যুক্ত করার সুপারিশ করেছিল। তাতে করে টেস্ট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত ১২ দলের প্রত্যেকেরই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। ক্রিকইনফোর গতকালের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জিম্বাবুয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে রাজি। তবে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বর্তমানে চতুর্থ চক্রে থাকা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কাঠামো ও ধরন নিয়ে গত এক বছর ধরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। মাঝে দুই স্তরবিশিষ্ট লিগ চালুর ব্যাপারটিও আলোচনায় এসেছিল। যদিও সেটা দ্রুত নাকচ করে দেওয়া হয়। যদি দল সংখ্যা বাড়েও, তাহলে সেটা আগামী ২০২৭-২৯ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র থেকে কার্যকর হয় কি না, তা স্পষ্ট না। তবে এ সপ্তাহের শেষের দিকে এ ব্যাপারে কিছুটা স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন ডিআরএস সরবরাহকারী

এই সপ্তাহে আইসিসির বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে একটি অধিবেশনে আইসিসির রিভিউ সিস্টেমের (ডিআরএস) অনুমোদন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিআরএস প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের সংখ্যা বাড়াতে চাইছে বলে ক্রিকইনফোর গতকালের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ডিআরএস প্রযুক্তির জন্য আইসিসি অনুমোদিত সরবরাহকারী হলো হকআই এবং ভার্চুয়াল আই।

বেশি টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে কম

পরবর্তী চক্রে (২০২৭-৩১) পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর আরও বেশি টি-টোয়েন্টি হতে পারে। তাতে করে দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে ম্যাচ কমতে পারে। কারণ, একটি ক্যালেন্ডার দিয়ে বছরে ক্রিকেটের সব চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত সময় বের করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

ক্রিকেট বিশ্বে সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টিই আইসিসির প্রধান মাধ্যম। তাছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও প্রত্যেক দুই বছর পরপর হয়। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ হয় চার বছর পরপর। সম্প্রতি নামিবিয়া ক্রিকেটের চেয়ারম্যান এবং সদ্য আইসিসি বোর্ডের পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়া রুডি ভ্যান ভুরেন বলেছেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে সহযোগী দলগুলোর জন্য আরও বেশি সুযোগ দেখছি।’

তার মানে এই না যে ওয়ানডে ক্রিকেট শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বকাপ এখনো ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন। তবে ওয়ানডেকে আরও অর্থবহ করে তুলতে সদস্য দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। এর জন্য ওয়ানডে সুপার লিগ ফিরিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে না। বরং ১৯৯০-এর দশকের মতো টুর্নামেন্ট, যেমন ত্রিদেশীয় সিরিজ, চার-দলের সিরিজ পুনরায় চালুর কথা ভাবা হচ্ছে।