হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হারে ক্ষুব্ধ চ্যাপেলও

ক্রীড়া ডেস্ক    

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নির্বাচকদের ধুয়ে দিয়েছেন ইয়ান চ্যাপেল। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের কাছে ডারউইনে হারের পর তোপের মুখে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। প্যাট কামিন্স-ট্রাভিস হেডরা যেভাবে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছেন সেটাকে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমে লজ্জাজনক আখ্যা দেওয়া হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের মতো রিকি পন্টিংও ধুয়ে দিয়েছেন কামিন্সদের। সেই তালিকায় এবার যোগ দিলেন ইয়ান চ্যাপেল।

ইয়ান চ্যাপেল এক হাত নিলেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নির্বাচকদের। চ্যানেল নাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই অজি কিংবদন্তি বলেন, ‘শুরুতেই যদি ভুল খেলোয়াড় নির্বাচন করেন, তাহলে সমস্যায় পড়তেই হবে। দল নির্বাচনের ধরন দেখে আমার মনে হয়েছে তারা (নির্বাচকেরা) বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে বোঝে না। আমার কাছে মনে হয়, তারাই নিজেদের এই সমস্যার মধ্যে ফেলেছে। এখন তাদেরই এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে বের করতে হবে। কিন্তু সেই পথ খুঁজে বের করতে তারা যথেষ্ট দক্ষ কি না, সে বিষয়ে আমি সন্দিহান।’

ডারউইনে প্রথম টেস্টের একাদশে জেক ওয়েদারাল্ডকে খেলানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চ্যাপেল। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার প্রথম ইনিংসে ২৩ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে রানের খাতাই খুলতে পারেননি। দুইবারই তিনি আউট হয়েছেন হাসান মাহমুদের বলে। ডারউইনে ৯ উইকেটে হারের পর ওয়েদারাল্ডকে দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন ম্যাট রেনশ।

চ্যাপেল কথা বলেছেন বিউ ওয়েবস্টারকে নিয়েও। ওয়েবস্টারের একাদশে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে অজি কিংবদন্তির আপত্তি নেই। কিন্তু ২৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডারকে ডারউইন টেস্টে খেলানো হয়েছে সাত নম্বরে। বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ইনিংস মিলিয়ে করেন ১৭ রান। অথচ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর ১৪ সেঞ্চুরি রয়েছে। চ্যানেল নাইনকে চ্যাপেল বলেন, ‘তার সেঞ্চুরি করার সামর্থ্য রয়েছে। কিন্তু আপনি তাকে সাত নম্বরে ব্যাট করাচ্ছেন। এটা কী ধরনের ব্যাপার? খুবই বাজে।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় টেস্টের দলে পরিবর্তন কেবল একটিই। এই এক পরিবর্তন মারনাস লাবুশেনের জন্য ‘শিক্ষা’ও বলা চলে। তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত ডারউইন টেস্টে ১ ও ৩১ রানে আউট হয়েছেন তিনি। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সবশেষ সেঞ্চুরি করেছেন ২০২৩ সালে ম্যানচেস্টারে অ্যাশেজে। এই লাবুশেন খেলছেন তিন নম্বরে।

চ্যাপেলের মতে লাবুশেনকে বাদ দিয়ে স্টিভ স্মিথকে তিন নম্বরে খেলানো হোক। সেক্ষেত্রে স্যাম কনস্টাসকে ফেরালে রেনশ তাঁর সঙ্গে ওপেন করবেন। তাতে করে ট্রাভিস হেড মিডল অর্ডারে খেলার সুযোগ পাবেন বলে মনে করেন চ্যাপেল।

অস্ট্রেলিয়াকে ডারউইনে হারালেও ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে বাংলাদেশ চারে। শান্তর দলের সফলতার হার ৬৬.৬৭ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ারও অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি। ৭৭.৭৮ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে শীর্ষে অজিরা। ম্যাকেতে ২২ আগস্ট শুরু হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।