অপেক্ষা ফুরাল লিওনেল মেসির। ইতিহাসের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ৯০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। ব্যক্তিগত মাইলফলকে দিনটা রঙিন হয়ে থাকলেও ফল কথা বলেনি ইন্টার মায়ামির হয়ে। বিদায়ের রাগিণীতে মাইলফলকের আনন্দ কিছুটা ম্লান হয়ে থাকল মেসির জন্য।
কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের দ্বিতীয় লেগে ন্যাশভিলের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে ইন্টার মায়ামি। তবে অ্যাওয়ে গোলের নিয়মে পিছিয়ে থেকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। এর আগে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয়েছিল প্রথম লেগের লড়াই।
কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে জিততেই হবে—এমন সমীকরণে নিজেদের মাঠ চেজে স্টেডিয়ামে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় মায়ামি। বক্সের ভেতর সতীর্থের কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের আড়াআড়ি শটে জালের ঠিকানায় পাঠান মেসি। চেষ্টা করেও ঠেকাতে পারেননি ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শিওয়াক। জাতীয় দল এবং ক্লাব মিলিয়ে এটা বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারের ৯০০ তম গোল। ১০৪২ তম ম্যাচে এসে এই কীর্তি গড়লেন মেসি।
এই মাইলফলক স্পর্শ করার পথে বার্সেলোনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ৬৭২ গোল করেছেন মেসি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১৫ বার লক্ষ্যভেদ করেছেন আর্জেন্টিনার জার্সিতে। এই ম্যাচ শেষে মায়ামির হয়ে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৮১ টি। আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী সবচেয়ে কম ৩২ গোল করেছেন পিএসজির হয়ে।
এর আগে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছিলেন পর্তুগালের তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ৯০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এ জন্য তাঁর লেগেছিল ১২৩৬ ম্যাচ। এখন হাজারতম গোলের মাইলফলক তাড়া করে বেড়াচ্ছেন রোনালদো।
মেসির মাইলফলকের ম্যাচে ৭৩ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রাখতে পেরেছিল মায়ামি। পরের মিনিটে ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজার গোলে ম্যাচে ফেরে ন্যাশভিল। ম্যাচের বাকি সময় আর কোনো গোল না হওয়ায় এসপিনোজার গোলটাই ন্যাশভিলকে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট এনে দেয়।