হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশ সিরিজের পর অস্ট্রেলিয়ার পেসারের সামনে নতুন লক্ষ্য

ক্রীড়া ডেস্ক    

ডারউইন টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন হ্যাজলউড। এই পেসারের নজর এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। ছবি: ক্রিকইনফো

বাংলাদেশের বিপক্ষে সফল টেস্ট প্রত্যাবর্তনের পর এবার নতুন লক্ষ্য স্থির করেছেন জশ হ্যাজলউড। অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট সিরিজেও নিজের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছেন এই পেসার। এ জন্য আসন্ন ওয়ানডে সিরিজগুলোতে নিয়মিত খেলতে চান তিনি।

এক বছরেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্ট দিয়ে প্রত্যাবর্তন হয় হ্যাজলউডের। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নেন সাত উইকেট। এরপর ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টেও বল হাতে ছিলেন ছন্দে, যদিও দ্রুত শেষ হওয়া দুই দিনের ম্যাচে এক উইকেটের বেশি নিতে পারেননি।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট সিরিজের আগে জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। দুই সিরিজের দলই এ সপ্তাহে ঘোষণা হওয়ার কথা। হ্যাজলউডের ধারণা, প্রস্তুতি ঠিক রাখতে দুই সিরিজেই তিন ম্যাচের মধ্যে দুটি করে ম্যাচ খেলাই তাঁর জন্য আদর্শ হবে।

সিডনিতে প্লে ক্রিকেট উইকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হ্যাজলউড বলেন, ‘আমার মনে হয়, যুক্তিসংগত সীমার মধ্যে যতটা সম্ভব খেলে যাওয়াই এখন আমার জন্য সবচেয়ে ভালো পথ। ওই টেস্ট সিরিজের আগে আমাদের দুটি ওয়ানডে সিরিজ রয়েছে, তাই দুই সিরিজেই হয়তো তিন ম্যাচের মধ্যে দুটি করে ম্যাচ খেলতে পারি। আমার মনে হয়, এখন আমরা সবাই যে তীব্রতায় খেলছি, সেটি যতটা সম্ভব ধরে রাখার চেষ্টা করাটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের বাইরে থাকার পর শারীরিকভাবে নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়েও সন্তুষ্ট হ্যাজলউড। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে প্রায় ১০ সপ্তাহের দীর্ঘ প্রস্তুতি পর্ব কাটিয়েছেন তিনি এবং মাঠে ফিরে বড় কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি।

হ্যাজলউড বলেন, ‘শারীরিকভাবে আমি এখন যে অবস্থায় আছি, তাতে আমি খুবই সন্তুষ্ট। অনেক কাজ করেছি। সম্ভবত ওই সিরিজের আগে ১০ সপ্তাহ ছিল আমাদের শেষ বড় অনুশীলনের সময়, সামনে যা আসছে তার আগে। সেখান থেকে প্রায় কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়াই বেরিয়ে আসতে পেরে আমি খুবই সন্তুষ্ট।’

জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ওয়ানডে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলার সম্ভাবনা কম; দক্ষিণ আফ্রিকা পর্বে তাঁর দলে যোগ দেওয়ার কথা। একই সময়ে ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের লাল বলের সফর থাকায় নির্বাচকেরা কয়েকজন খেলোয়াড়কে ওয়ানডের পরিবর্তে সেই সফরে অগ্রাধিকার দিতে পারেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দল আগামী সপ্তাহের শুরুতে ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারা মার্নাস লাবুশেন জায়গা ধরে রাখতে পারেন কি না, সেদিকেও নজর থাকবে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার পেস আক্রমণের প্রধান অস্ত্র কাগিসো রাবাদার ফিটনেসের দিকেও নজর রাখছে অস্ট্রেলিয়া। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া এই পেসার টেস্ট সিরিজের আগে পুরোপুরি ফিট হতে পারবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

হ্যাজলউড বলেন, ‘হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটটা ঠিক কতটা গুরুতর, আমরা তা জানি না। তবে যেকোনো ধরনের ছোটখাটো চোট থেকে সে খুব দ্রুত সেরে ওঠে বলেই মনে হয়। সে অসাধারণ একজন অ্যাথলেট। তাই এত দূরে থাকতে আমরা বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। সময় যত এগোবে, বিষয়টি তত পরিষ্কার হবে। তবে আমি নিশ্চিত, ব্যাটাররা কেজির বদলে অন্য কাউকে মোকাবিলা করতেই বেশি পছন্দ করবে।’