হোম > খেলা > ক্রিকেট

শান্তর চোখে কে ম্যাচসেরা

ক্রীড়া ডেস্ক    

উচ্ছ্বাস যেন কমছেই না শান্তর। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় বলে কথা। ছবি: ক্রিকইনফো

প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন হাসান মাহমুদ। তবে সফরকারীদের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর মতে, এই জয়ের পথে পুরো দলই ম্যাচসেরা হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করার পথে ৬ উইকেট নেন হাসান। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর শিকার ৩ উইকেট। কম যাননি মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ইনিংসে টেল-এন্ডারদের নিয়ে ছোট ছোট কয়েকটি জুটিতে দলের সংগ্রহকে ৪০০ পার নেন। নবম ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে খেলেন মহাগুরুত্বপূর্ণ ৬৫ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে অজিদের ২৮৪ রানে অলআউট করার পথে ৫ উইকেট নেন মিরাজ।

প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তানজিম হাসান তামিম। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই ১০১ রান করেন এই ওপেনার। শান্ত নিজেও কম যাননি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ৮৪ রানে আউট হন অধিনায়ক। এ ছাড়া ব্যাটিংয়ে ছোট কিংবা মাঝারি মানের অবদান আছে মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, সাদমান ইসলামদের। বোলিংয়ে খুব বেশি ঝলকানি দেখাতে না পারলেও অবদান রেখেছেন তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেনরা। শান্ত তাই দলীয় পারফরম্যান্সকেই সবার ওপরে রাখলেন।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ কে—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে শান্ত বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার কাছে ম্যান অব দ্য ম্যাচ বাংলাদেশ দল। কারণ সবাই কোনো না কোনো জায়গায় ভূমিকা রেখেছে। আমার চোখে অবশ্যই তামিমের প্রথম ১০০, এটা অবশ্যই ওর জন্য বিশেষ কিছু। মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেছিল। মিরাজ এরকম পারফর্ম এর আগেও অনেক করেছে এবং এই কন্ডিশনে এসে ব্যাটিং এবং বোলিং যেভাবে করল এটা দুর্দান্ত। এমনকি সাদমানের প্রথম ইনিংসের ২০টা রানও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

শান্ত আরও যোগ করেন, ‘যদি সবকিছু একপাশে রেখে একটা জিনিস মেনশন করি, তাহলে আমি বলব যে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যাটিং করেছে—হাসান, তাইজুল, তাসকিন, ইভেন এবাদত। ওই ভূমিকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল দলের জন্য, যেটা আমরা খুব বেশি করতে পারি না। তাই আমার মনে হয় তাদেরকে অনেক বড় একটা ক্রেডিট দেওয়া উচিত। পাশাপাশি আমি বলব যে সবার ওই জায়গা থেকে একটা ভূমিকা ছিল।’