হোম > খেলা > ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে ছাড়ল বাংলাদেশ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

লড়াই জমিয়ে তুলেও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেনি শান্তরা। ছবি: এএফপি

শেষ দিকে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম। রূদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে হারের খুব কাছে দাঁড়িয়েও জেগেছিল জয়ের আশা। কিন্তু দুটি ক্যাচ মিস আক্ষেপ হয়ে থাকল নাজমুল হোসেন শান্তদের জন্য। শেষ ওয়ানডেতে অজিদের কাছে ১ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিকেরা।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডেতে রীতিমতো স্বপ্নের মতো সময় পার করেছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২১ বছর পর এই সংস্করণে ফের জয়ের দেখা পাওয়ার পর প্রথমবার অজিদের বিপক্ষে এসেছে সিরিজ জয়ের স্বাদ। শেষ ওয়ানডে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাওয়াশ করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। লড়াই জমিয়ে তুলেও জেতা হলো না তাদের।

এই জয়ে ধবলধোলাইয়ের লজ্জা এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আগেই সিরিজ হারা জশ ইংলিসের দলের সামনে শেষ ওয়ানডেতে এটাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য। কুপার কনোলির দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে শেষটা জয়ে রাঙাল অস্ট্রেলিয়া। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ বল হাতে রেখে বাংলাদেশের করা ২৭৪ রান টপকে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। হারলেও সফরকারীদের রীতিমতো কাঁপিয়ে ছেড়েছে বাংলাদেশ।

গ্রিনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া যখন জয়ের দ্বারপ্রান্তে, তখন চিত্রনাট্য বদলে দেন শরীফুল। ওলি পিক, জাভিয়ের বার্টলেট ও বেন দারশুইসকে ফেরান এই পেসার। এরপর কুপার কনোলিকে আউট করে জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। ২৬৬ থেকে ২৭১—এই ৫ রানে ৪ ব্যাটারকে হারিয়ে তখন হারের শঙ্কা সফরকারী দলে। শেষ ওভারে ৩ রান করতে হতো অস্ট্রেলিয়াকে। তাসকিন আহমেদের করা সে ওভার থেকে এই সমীকরণ মিলিয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা ও রাইলি মেরেডিথ। অস্ট্রেলিয়ার জয়ে অবদান আছে মোস্তাফিজ ও তানজিদ হাসান তামিমের। দারসুইশ ও জাম্পার ক্যাচ ছাড়েন তাঁরা। নাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।

জবাব দিতে নেমে ৭০ রানে ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়ার একপ্রান্ত আগলে রাখেন কনোলি। মার্নাস লাবুশেন (২৯), ক্যামেরুন গ্রিন (২৭) ও পিকের (২৭) সঙ্গে তিনটি জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন। নবম ব্যাটার হিসেবে যখন ফিরছিলেন, তখন তাঁর নামের পাশে শোভা পাচ্ছিল ১৪৯ রান। ১৩ চার, ৬ ছক্কায় সাজানো ১৩৪ বলের ইনিংস। দল হারলেও বল হাতে স্মরণীয় একটা দিনই পার করলেন শরীফুল। ৪৮ রানে ৬ উইকেট নেন তিনি।

টস জিতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ৬৩ রানেই সৌম্য সরকার, তামিম ও শান্তকে হারায় স্বাগতিকেরা। তবে তাওহীদ হৃদয় (৮৩), মোসাদ্দেত হোসেন সৈকত (৫৬) ও লিটন দাসের (৫৮) ফিফটিতে লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ম্যাট রেনশ ও বার্টলেট দুটি করে উইকেট নেন।

পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দিলেন হৃদয়

‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশের জন্য বিশাল অর্জন’

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভসূচনা

অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাইয়ের আরও কাছে বাংলাদেশ, হৃদয়ের আক্ষেপ

বাদ মিরাজ, অধিনায়ক শান্ত

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে ২ কোটি টাকা বোনাস পেল বাংলাদেশ

কাউন্টি অভিষেক কেমন হলো হাসান মাহমুদের

অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাই করা কত বড় অর্জন হবে বাংলাদেশের জন্য

অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের আগমুহূর্তে বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন