হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশের কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়াকে লারার সতর্কবার্তা

ক্রীড়া ডেস্ক    

অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে চলে এসেছেন। এটাই ভাবাচ্ছে লারাকে। ফাইল ছবি

বাংলাদেশের কাছে ডারউইন টেস্টে হারের পর ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে সতর্ক করে দিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা। একসঙ্গে একাধিক ক্রিকেটার অবসরে গেলে অজিরা কতটা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে, সেটাই মনে করিয়ে দিলেন তিনি।

নিজেদের বোলিং আক্রমণের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়নের মতো অভিজ্ঞদের ক্যারিয়ার শেষের দিকে। চার বোলারেরই বয়স ৩৩ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক সিনিয়র ক্রিকেটারের অবসর অস্ট্রেলিয়ার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণ হবে বলে মনে করছেন লারা।

কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউড ও লায়নের প্রত্যেকেরই টেস্টে ৩০০-এর বেশি উইকেট রয়েছে। এই চারজন কাছাকাছি সময়ে অবসর নিলে তরুণ ক্রিকেটাররা তাঁদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ হারাবে বলে জানালেন লারা।

কোড স্পোর্সকে লারা বলেন, ‘অবসরের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে এগোনো অনেক ভালো। একসঙ্গে এক-দুজন খেলোয়াড়ের অবসর তেমন কোনো সমস্যা নয়। তবে অনেকে একসঙ্গে অবসরে গেলে সমস্যা হবে। যদি একসঙ্গে চার-পাঁচজন মূল ক্রিকেটার বিদায় নেয়, এই রিজার্ভ দল নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে।’

এ ধরনের পরিস্থিতির উদাহরণ হিসেবে নিজেদের দলের অতীতের কথা স্মরণ করেছেন লারা। ১৯৯২ সালের দিকে গর্ডন গ্রিনিজ, ভিভ রিচার্ডস, ম্যালকম মার্শাল ও জেফ ডুজনের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের একাধিক কিংবদন্তি অল্প সময়ের ব্যবধানে অবসর নেন। এরপর কয়েক বছর দলের ব্যাটিংয়ের বড় দায়িত্ব লারাকেই সামলাতে হয়েছিল। পরে শিবনারাইন চন্দরপল ও ক্রিস গেইলের মতো ক্রিকেটাররা উঠে আসেন।

লারা বলেন, ‘১৯৯২ সালের দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছিল। গর্ডন গ্রিনিজ, ভিভ রিচার্ডস, ম্যালকম মার্শাল ও জেফ ডুজনের মতো খেলোয়াড়েরা অল্প সময়ের ব্যবধানে বিদায় নিয়েছিলেন।’