হোম > খেলা > ক্রিকেট

ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের দরকার ১৯৬

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

৪০ রানের ইনিংস খেলার পথে হারমানপ্রীতের একটি শট। ছবি: ক্রিকইনফো

ইনিংসের শুরু থেকেই চড়াও হন ভারতের ব্যাটাররা। স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মাদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের বোলাররা। স্মৃতি ফিরলেও একপ্রান্তে তাণ্ডব চালিয়ে যান শেফালি। এই ওপেনারের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়েছে ভারত।

এশিয়ান কাপের নারী ক্রিকেটের সেমিফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৫ রান করেছে ভারত। স্কোরবোর্ডই বলছে, জিতলে হলে অতি মানবীয় কিছুই করতে হবে বাংলাদেশকে।

নিশিনের করোগি স্পোর্টস পার্কে টস কথা বলেছে ভারতের হয়ে। মুদ্রা নিক্ষেপে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন হারমানপ্রীত কৌর। দুইশর কাছাকাছি রান করে অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করলেন ব্যাটাররা।

ভারতের এই পুঁজিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের তৃতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। এর আগে ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করেছেন স্মৃতি ও হারমানপ্রীত। স্মৃতি দুটি সেঞ্চুরি করেছেন। অন্যদিকে এটা নারী এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরি।

উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৬ ওভারেই ৭২ রান যোগ করে ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন স্মৃতি ও শেফালি। স্মৃতি ৩৭ রানে নাহিদা আক্তারের বলে সোবহানা মোস্তারির হাতে ধরা পড়লে জুটি ভাঙে। ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস। দলীয় ৮২ রানে গুনালান কামালিনিকে হারায় ভারত।

অল্প সময়ের ব্যবধানে ২ সতীর্থকে হারালেও থামেননি শেফালি। তৃতীয় উইকেটে হারমানপ্রীতকে নিয়ে ৯৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৩৩ বলে ৪০ রান করে বিদায় নেন হারমানপ্রীত। স্বর্না আক্তারের করা ইনিংসের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান শেফালি। ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলার পথে ৪৯ বলে ৩ চার ও ৯ ছক্কা হাঁকান এই ব্যাটার।