হোম > খেলা > ক্রিকেট

খেলা শেষের আগেই অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা

ক্রীড়া ডেস্ক    

মাথায় আঘাত পেয়ে ব্যাটিং করেন স্টিভ স্মিথ। তবে ফিল্ডিংয়ে আর নামা হয়নি। ডারবান টেস্ট তো বটেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের শেষ দুই টেস্টেও তাঁর খেলা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। ছবি: এএফপি

ডারবান টেস্টের নাটাই অস্ট্রেলিয়ার হাতেই বলা যায়। হাতে ৬ উইকেট নিয়ে ৩১৯ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অনেক কঠিন কাজই বটে। তবে এরই মধ্যে অজিরা পড়েছে ভীষণ দুশ্চিন্তায়। চলতি টেস্ট তো বটেই। এমনকি স্টিভ স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের শেষ দুই টেস্টে খেলা নিয়েও রয়েছে শঙ্কা।

দক্ষিণ আফ্রিকা গতকাল চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নামে, তখন স্মিথকে ফিল্ডিংয়ে দেখা যায়নি। তাঁর পরিবর্তে ফিল্ডিং করেছেন মাইকেল নেসার। স্মিথের ফিল্ডিংয়ে না নামার কারণ তাঁর মাথায় আঘাত। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় প্রোটিয়া পেসার অ্যানরিখ নরকিয়ার বাউন্সার আঘাত হানে স্মিথের হেলমেটে। সেই আঘাতের পর ব্যাটিং করলেও অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটারকে অস্বস্তি ঘিরে ধরে।

স্মিথের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছে। আজ ডারবান টেস্টের পঞ্চম দিনে স্মিথ মাঠে নামতে পারবেন কি না সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের বাকি দুই টেস্ট খেলা নিয়েও রয়েছে শঙ্কা।। সিএর কনকাশন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়ের কনকাশন শনাক্ত হলে তাঁকে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা খেলা থেকে বিশ্রামে থাকতে হয়।

স্মিথ অতীতেও কনকাশন-ভার্টিগো জনিত সমস্যায় ভুগেছেন। ২০১৯ অ্যাশেজে জফরা আর্চারের করা বাউন্সারে আঘাত পাওয়ার পর তাঁকে এক টেস্ট ম্যাচ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সে সময় তাঁর পরিবর্তে মারনাস লাবুশেন সুযোগ পেয়েছিলেন। টেস্ট ইতিহাসে তিনিই প্রথম কনকাশন বদলি।

ডারবানে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৫৮ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে। ১০৬ রানের লিডসহ অজিদের স্কোর ৪২০। ৪২১ রানের লক্ষ্যে নেমে ৪ উইকেটে ১০২ রানে দক্ষিণ আফ্রিকা গতকাল চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করে।

১৮ অক্টোবর পোর্ট এলিজাবেথে শুরু হবে দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। তৃতীয় টেস্ট কেপটাউনে মাঠে গড়াবে ২৭ অক্টোবর। ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে ৮০ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া। দুইয়ে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার সফলতার হার ৭৫ শতাংশ। ৭২.২২ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে তিনে নিউজিল্যান্ড।