হোম > খেলা > ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড কাঁপানো হাসানের নাম এখন আইসিসির তালিকায়

ক্রীড়া ডেস্ক    

অস্ট্রেলিয়ায় আগুনে বোলিংয়ে আইসিসির সেরাদের তালিকায় হাসান মাহমুদ। ছবি: ক্রিকইনফো

ইংল্যান্ডের মাঠ যেন হাসান মাহমুদের বেশ প্রিয়। কাউন্টিতে তাঁর বোলিংয়ে রীতিমতো কাঁপছেন প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা। শুধু তা-ই নয়, অস্ট্রেলিয়াতেও তিনি কাঁপিয়েছেন গত আগস্টে। ছন্দে থাকা হাসান এবার জায়গা করে নিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সেরাদের তালিকায়।

আইসিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগস্ট মাসের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে মনোনয়নপ্রাপ্ত তিন জনের নাম প্রকাশ করেছে। এখানে হাসানের প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রীলঙ্কার সোনাল দিনুশা ও ইংল্যান্ডের ওলি রবিনসন। অস্ট্রেলিয়ায় দুর্দান্ত বোলিংয়ের স্বীকৃতি হিসেবেই মূলত মাসসেরাদের মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। অজিদের ডেরায় প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই ডারউইনে হাসান ১১১ রানে নেন ৯ উইকেট। যার মধ্যে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে টেস্টে এক ইনিংসে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি গড়েন তিনি। ঐতিহাসিক সেই টেস্টে বাংলাদেশ পায় ৯ উইকেটের বিশাল জয়।

হাসানের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দিনুশা-রবিনসনও আগস্টে দুর্দান্ত খেলেছেন। গত মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যৌথভাে ১৬ উইকেট নেন রবিনসন ও ভারতের মানব সুথার। দুজনেই খেলেছেন টেস্ট। যাঁর মধ্যে সুথার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে খেলেছেন। একটি ফাইফার রয়েছে ভারতীয় বাঁহাতি স্পিনারের। এই সিরিজেই ভারত যে শ্রীলঙ্কাকে ধবলধোলাই করতে পারেনি, তাতে অবদান দিনুশার। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সর্বোচ্চ ৪২০ রান করেন। গড় ১৪০। তিন সেঞ্চুরি ও এক ফিফটি করেছেন।

সুথার শ্রীলঙ্কার মাঠে যেমন ঘূর্ণিজাদু দেখিয়েছেন, রবিনসন ঝড় তুলেছেন বোলিংয়ে। আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট খেলে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। যার মধ্যে রয়েছে একটা ফাইফারও। রবিনসন এজবাস্টনে চলমান তৃতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে পেয়েছেন ৩ উইকেট।

হাসান কাউন্টিতে খেলছেন জুন থেকে। কেন্টের জার্সিতে এরই মধ্যে ৪ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়েছেন। যার মধ্যে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে চলমান চার দিনের ম্যাচে এরই মধ্যে ৭ উইকেট পেয়েছেন। এর আগে আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছিল বাংলাদেশ। সেবার ডারউইনে ৯ উইকেট পেলেও ম্যাকাইতে দ্বিতীয় টেস্টে কোনো উইকেট পাননি।