হোম > খেলা > ক্রিকেট

সেই ৯ ক্রিকেটার ‘দোষী আবার দোষীও নন’

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারেননি ৯ ক্রিকেটার। গত বছর বিপিএল নিয়ে গঠিত বিসিবির স্বাধীন তদন্ত কমিটির দেওয়া ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন ও বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের স্বাধীন চেয়ারম্যান অ্যালেক্স মার্শালের করা অধিকতর তদন্তের পর ২০২৫ বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার সন্দেহে ৯ ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে নিলামের জন্য চূড়ান্ত খেলোয়াড় তালিকা প্রকাশ করে বিসিবি। মার্শাল ও বিসিবির আইনজীবীর পক্ষ থেকে আজ বলা হয়েছে, সেই ৯ ক্রিকেটার দোষী আবার দোষী নন।

নিলামে খেলোয়াড় তালিকায় না থাকা অভিযুক্ত ৯ ক্রিকেটারের মধ্যে ছিলেন ২০২৫ বিপিএলের দুর্দান্ত রাজশাহীর এনামুল হক, শফিউল ইসলাম, সানজামুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, ঢাকা ক্যাপিটালসের মোসাদ্দেক হোসেন ও আলাউদ্দিন বাবু এবং সিলেট স্ট্রাইকার্সের আরিফুল হক ও নিহাদুজ্জামান। গত ৮ মাসে অবশ্য তাঁদের বেশির ভাগই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেছেন। মোসাদ্দেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও খেলেছেন। তাহলে কি তাঁরা নির্দোষ?

মার্শালের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকা বিসিবির আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহিন এম. রহমান বলেন, ‘তারা দোষীও নয়, আবার নির্দোষও বলা যাচ্ছে না।’ তিনি ব্যাখ্যায় আরও যোগ করেন, ‘শুধু খেলোয়াড়ই নন, আরও অনেকের নাম ছিল। এই ৯ খেলোয়াড়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেখানে বিদেশি খেলোয়াড়ের নামও ছিল।...স্বাধীন তদন্ত কমিটি কিছু ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং করে দিয়েছিল।’

মার্শাল অবশ্য জানিয়েছেন, ৯ ক্রিকেটারের বিপিএল খেলতে বাধা নেই। ওই সময় খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল নির্দিষ্ট ওই টুর্নামেন্টের জন্য। কিন্তু তাঁরই সুপারিশে বিপিএল নিলাম থেকে ৯ ক্রিকেটারকে বাদ রাখা হয়েছিল। সেটির ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘ড্রাফট হওয়ার ঠিক আগে নতুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের হাতে এসেছিল। সেই তথ্যের মধ্যে দেশি ও বিদেশি—দুই ধরনের কয়েকজন ব্যক্তির বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য ছিল। আমি তখন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে সতর্ক করে জানাই যে, ওই প্রতিবেদনে এমন কিছু ব্যক্তির বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, যারা বিপিএল-১২-এর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি হতে পারেন। তাই তারা যেন ওই ব্যক্তিদের টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করেন। এরপর বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল কিছু ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ না জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।’