নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন ফিল ফোডেন। চেনা দাপট হারিয়ে টমাস টুখেলের আস্থাহীন হয়ে পড়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ইংলিশ তারকা। ইংল্যান্ডের প্রধান কোচও তাই ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এই মিডফিল্ডারকে নিয়ে অনিশ্চিয়তার গল্প শোনালেন।
আন্তর্জাতিক বিরতিটা ভালো যায়নি ইংল্যান্ডের। সবশেষ ম্যাচে জাপানের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় তারা। সে ম্যাচে নিয়মিত স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন না থাকায় ফোডেনকে ফলস নাইনে খেলান টুখেল। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ২৫ বছর বয়সী ফুটবলার। এর আগে উরুগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করা ম্যাচেও একেবারে সাদামাটা ছিল ফোডেনের পারফরম্যান্স। টুখেল তাই কোনো রাখঢাক না রেখেই বললেন—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ দল ফোডেন থাকবেন কি না সেটা অনিশ্চিত।
ম্যাচ শেষে টুখেল বলেন, ‘ফোডেন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। অনুশীলনে সে দুর্দান্ত ছিল, কিন্তু ম্যাচে সেটার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। আমি ভেবেছিলাম সে আমাদের চমকে দেবে, কিন্তু মাঠে পুরো প্রভাব ফেলতে পারছে না।’
ক্লাব ফুটবলেও সাম্প্রতিক সময়ে নিজের ছায়া হয়ে আছেন ফোডেন। পেপ গার্দিওলার অধীনে কিছু দিন ধরে ম্যানসিটির শুরুর একাদশে অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। সিটিজেনদের হয়ে সবশেষ ১৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র চারটাতে শুরুর একাদশে মাঠে নামেন তিনি। সব মিলিয়ে খুব বাজে একটা সময়ই যেন কাটাচ্ছেন ফোডেন। বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেতে জুড বেলিংহাম, মরগান রজার্স, কোল পালমারদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে তাঁকে।
বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রীতি ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। এরপরও ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বড় কোনো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ছাড়তে নারাজ টুখেল। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের স্বপ্ন ছাড়ব না। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, খেলোয়াড়রা ক্লাবে ফিরে গিয়ে মৌসুমটা ভালোভাবে শেষ করুক। এরপর প্রি-ক্যাম্পে আমরা সঠিকভাবে প্রস্তুতি নেব।’