নারী লিগের দলবদল শুরু হয়েছিল গত ৪ ফেব্রুয়ারি, শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮ মার্চ। এক মাসেও দলবদল না হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়েছিল ৩১ মার্চ পর্যন্ত। একদম শেষ দিনে এসে দলবদল সেরেছেন জাতীয় দলের নারী ফুটবলাররা। ৯ দলের ৮টিই দলবদল সেরেছে আজ।
সাফ জেতার পরও নারী লিগে দল পেতে হিমশিম খেতে হয়েছে সাবিনা খাতুনদের। টানা তিনবারের লিগ জেতা বসুন্ধরা কিংস নিজেদের নাম প্রত্যাহারের পর থেকেই দল পাওয়া নিয়ে সংকটে পড়েন এই ফুটবলাররা। ভালো দলের বিষয়টি তো ছিলই, সঙ্গে ভালো মানের পারিশ্রমিক নিয়েও ছিল শঙ্কা। সব জল্পনা-কল্পনা কাটিয়ে নাসরিন স্পোর্টিং একাডেমিতে নাম লিখিয়েছেন জাতীয় দলের অধিকাংশ ফুটবলার।
নারী লিগে নিয়মিত খেললেও বেশির ভাগ সময়েই সাদামাটা দল গড়েছে নাসরিন স্পোর্টিং। তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৯ সালে রানার্সআপ হওয়া। হঠাৎ করে এই দলটা কীভাবে জাতীয় দলের ফুটবলারদের নিয়ে দল সাজাল, সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। গুঞ্জন আছে, জাতীয় দলের ফুটবলারদের নিতে নাসরিনে টাকা ঢেলেছেন নারী ফুটবল উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ!
আগের তিন মৌসুমে বসুন্ধরা থেকে ভালোই পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন সাবিনারা। কিন্তু নারী ফুটবলারদের ‘সিন্ডিকেট’ করার অভিমান থেকে এবার নাম সরিয়ে নেয় লিগসেরা দলটি। বসুন্ধরার সমান না হলেও এবার নাসরিন থেকে কাছাকাছি পরিমাণ টাকা পাচ্ছেন বলে জানালেন সাবিনা। বসুন্ধরার অভিযোগ শুনে বিস্ময়ও প্রকাশ করে বললেন, ‘কী কারণে ওরা (বসুন্ধরা) দল গঠন করল না, সেটা ওদের ব্যক্তিগত বিষয়। আমি তো তিন বছর খেলেছি, আমার মতো বাকিরাও আশা করেছিল এবারও ওদের দলেই খেলবে। কেন করেনি (দল) এটা ওরাই ভালো বলতে পারবে।’