পুরস্কার বিতরণ ও নবীন সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভ্যাল-২০২৬। এবারের আয়োজনে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) শতাধিক সদস্য আটটি ইভেন্টের ১২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেন।
বহু ইভেন্টে সাফল্য দেখিয়ে এবার মো. আবদুল মান্নান লাডু ট্রফি—স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার হয়েছেন মিদুল হাসান। সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি মো. জহিরুল ইসলামের সঙ্গে জুটি বেঁধে ক্যারম দ্বৈতের শিরোপাও জেতেন তিনি। ক্যারম এককে রানারআপ, আর্চারিতে তৃতীয় এবং ১০০ মিটার স্প্রিন্টেও রানারআপ হন মিদুল।
প্রথম রানারআপ হয়েছেন মনজুর এলাহী শান্ত। শুটিং ও শটপুটে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ক্যারম এককে তৃতীয় হয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় রানারআপ জাহিদ মুনীর কলব্রিজে চ্যাম্পিয়ন হন। সুদীপ্ত আহমদ আনন্দের সঙ্গে জুটি বেঁধে টুয়েন্টি নাইনেও শিরোপা জেতেন তিনি। দাবায় হয়েছেন তৃতীয়।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কিউটের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল।
আমিনুল হক বলেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রয়োজন। তিনি বিএসপিএর এই আয়োজন বছরব্যাপী করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রীড়া সাংবাদিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেন।
আসন্ন এশিয়ান গেমসের পর দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে পদক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—এমন ইভেন্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএসপিএ সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান, সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ ও ক্রীড়া উপকমিটির চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল আলম উপস্থিত ছিলেন। একই অনুষ্ঠানে বিএসপিএর নবীন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।