নিজেদের প্রথম ম্যাচে ধূমকেতুর হয়ে ফিফটি করেছিলেন জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার লিটন দাস ও সাইফ হাসান। তাঁদের ফিফটিতে জাতীয় দলের আদলে গড়া ধূমকেতু সহজ জয় পেয়েছিল দুরন্তর বিপক্ষে।
জাতীয় দলের আশপাশে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দুর্বার দলের বিপক্ষে আজ ধূমকেতুর হয়ে ফিফটি করেননি কেউ। জিততেও পারেননি তাঁরা। মিরপুর শেরেবাংলায় অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে আজ একাই নুরুল হাসান সোহান হারিয়েছেন লিটনদের। সোহানের ৪৪ বলে গড়া ৭৬ রানে হার না মানা ইনিংসের সুবাদেই ২ উইকেটে জিতেছে দুর্বার।
১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্বার নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে। একপর্যায়ে ৪৬ রান তুলতেই ৪ উইকেট খুইয়ে বসে তারা। কেউই ভালো করতে পারেননি। ৪ উইকেটে ফেলা দলকে বিপদে ফেলে আউট হয়ে যান জাকের আলী অনিকও (১১)। এ অবস্থায় মনে হয়েছিল হয়তো বেশি দূর এগোতে পারবে না দুর্বার দলের ইনিংস।
দলের প্রয়োজনে স্রোতের বিপরীতে মাথা তুলে দাঁড়ান নুরুল হাসান সোহান। তাতে জমে যায় ম্যাচ। পাঁচ নম্বরে নামা এই ব্যাটার ফিফটি ছুঁয়ে ৭৬ রান করেছেন। ৪টি চার ও ৬টি ছয়ে সাজানো তাঁর ১৭২. ৭৩ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিই জিতিয়ে দিয়েছে দুর্বারকে। ৩ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখেই শেষ পর্যন্ত জিতে যায় দুর্বার।সোহানের হাতেই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার
এর আগে টস জিতে দুর্বার অধিনায়ক শান্ত ব্যাটিংয়ে পাঠান লিটনের ধূমকেতুকে। প্রথম ওভারেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম রানের খাতা না খুলেই বিদায় নেন। দ্বিতীয় উইকেই সাইফ হাসানকে নিয়ে লিটনের প্রতিরোধ; ৩৬ রান যোগ করেন তাঁরা। এই জুটি ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই সাইফকে ফেরান সাইফউদ্দিন।
ধূমকেতুর হয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে লিটনের ব্যাট থেকে। ৫টি চারে ৩৭ বলে এই রান করেন তিনি। ২৭ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন মেহেদী হাসান। মেহেদীর হার মানা ইনিংসটি ধূমকেতুর রানকে দেড় শর ওপরে নিতে ভূমিকা রেখেছে। কোনো চার না থাকলেও ২টি ছক্কা আছে তাঁর ইনিংসে। হাসান মাহমুদ ও তানভীর ইসলাম নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।